ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শুরু হয়েছে কর্মক্ষেত্রে ফিরা মানুষের বিড়ম্বনা। শত বিড়ম্বনা মাথায় নিয়ে যারা স্বজনদের সাথে ঈদ করতে বাড়ী ফিরছিলেন, তারা কর্মক্ষেত্রে ফিরতে একই বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন।

ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেন সোনার হরিন যোগাড়ের সামিল। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছেনা বাসের টিকিট। অবশেষে বাস ও ট্রেনের ছাদে ঠাই নিয়ে কর্মক্ষেত্রে ফিরতে দেখা গেছে অনেকের।

সন্ধায় ঢাকা কোচ কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায় ঢাকাগামী যাত্রীর উপচেপড়া ভিড়। কাউন্টারে আগামী কাল ১১ তারিখ পর্যন্ত সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে অনেক আগেই। একই অবস্থা রেলওয়ে স্টেশনেও। রেলযাত্রীদের অভিযোগ তারা কাউন্টারে এসে কোন টিকি পায়নি, তবে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে অনেকে রেল স্টেশনের চা-ষ্টল ও পান-সিগারেটের দোকান থেকে টিকিট কিনেছে।

উপজেলার বাসুদেপুর গ্রামের হাফেজ মিয়া একটি পোষাক কারখানায় কাজ করে, তার ছুটি শেষ হয়ে গেছে তাকে যে কোন উপায় যেতে হবে, একই ঘটনা আছে ভবানীপুর গ্রামের আকলিমা বেগমের, তারা দু’বোন ঢাকায় একটি পোষাক কারখানায কাজ করে, তাদেরকেও যেতে হবে, এখন তারা ট্রেনে দাড়ীয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকুরী করে আফাজ উদ্দিন সেও টিকিট সংগ্র করতে পারেনি।

ঢাকা কোচ হানিফ এন্টার প্রাইজের কাউন্টার ম্যানেজার আজিজার রহমান বলেন দিবা-রাত্রী ১৭ টি বাস এই পথে যাতায়াত করে, ১৭টি বাসে ১৬৮টি সিট বারাদ্ধ আছে, কিন্তু ঈদ উপলক্ষে চাহিদা তার থেকে দ্বিগুন। রেলওয়ে স্টেশনের বুকিং মাস্টার সোহাগ বলেন, এই স্টেশনে প্রতিদিনের জন্য মাত্র ১৩০ টি সিট বরাদ্ধ আছে অথচ চাহিদা আরো তিন গুন। যার ফলে সব যাত্রীদের টিকিট দেয়া সম্ভাব হচ্ছে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য