পঞ্চগড়ে মিনা আক্তার নামে তিন সন্তানের এক গৃহবধুকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার অভিযোগ। স্বামীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় এই হত্যার ঘটনাটি ঘটে বলে পরিবারের দাবী। হত্যার অভিযোগে মৃত্য মিনা আক্তারের স্বামী সহ ৮ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা। মৃতের পরিবার ও এলাকা বাসী সুত্রে জানাযায়, মিনা আক্তারের সহিত গত ১৬ বছর আগে আনছারুল ইসলামের বিবাহ হয়।

বিবাহের পর থেকে আনছারুল ইসলাম বিভিন্ন অসৎ মহিলার সাথে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হলে মিনা আক্তারকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। গত ১৬ বছরে পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধীক বার বিচার সালীস করে আপোষ মিমংশা করা হয়। কিন্তু এমন অঙ্গীকার করলেও কিছু দিন যেতে না যেতে আবার শুরু হয় গোপন পরকীয়া।

পরকীয়ার ঘটনায় গত ৪-৯-১৭ ইং সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামে এই হত্যার পর মিনাকে লোক দেখানো পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে এনে ঘাতকরা মৃত্য দেহটি ফেলে সবাই পালিয়ে যায়। পুলিশ মৃত্য দেহটি ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে তুলে দেয়। পুলিশের পক্ষে এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা করা হয়। মামলায় অভিযুক্ত এক আসামি জানাযায়, এঘটনা কিভাবে হয়েছে আমার জানানেই তবে জমা জমি সংক্রান্ত বিরোধের চক্রান্তে আমাকে সহ কয়েক জনকে হয়রানির জন্য মামলায় জরানো হয়েছে।

মৃতের মা আনোয়ারা বেগম জানান, আমার মেয়ে মিনা আক্তারকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে গলা টিপে হত্যা করা হয়। এই হত্যার নেয় বিচারের জন্য গত ৬-৯-১৭ ইং মামলার বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করে এজাহার কপি সহ পঞ্চগড় সদর থানায় গেলে অফিসার ইনর্চাজ নানান অজু হাতে মামলা না নিয়ে আমাকে ফেরত পাঠান।

পরদিন মামলাটি পঞ্চগড় আদালতে দায়ের করা হয়। মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামি পক্ষের লোকজন মামলা তুলে নিতে নানান রকম হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনর্চাজ রবিউল ইসলাম জানান, যেহেত প্রথম দিন ইউডি মামলা হয়েছে, এবং ময়না তদন্তর রির্পোট না আসায় আমরা মামলাটি গ্রহন করিনি। তবে ময়না তদন্তর রির্পোট থেকে বেরিয়ে আসবে আসল ঘটনা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য