ফুরবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শেষ সময়ে এসে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট, ঈদুল আযহা সামনে রেখে, পৌর পশুর হাটসহ উপজেলার সাতটি স্থানে নিয়মিত বসচ্ছে পশুর হাট। হাট গুলো ঘুরে দেখা যায়, হাটে বড় গরুর তুলুনায় ছোট ও কম দামের গরুর চাহিদা বেশি। ক্রেতারা বলছেন পশু আমদানী বেশি হলেও দাম অনেক চড়া।

তবে গরু মালিকেরা বলছেন হাটে গত বছরের তুলুনায় ক্রেতা অনেক কম, এ কারনে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের উৎপাদিত পশু। হাটে বড় গরু অপেক্ষা ছোট ও কম দামের গরুর চাহিদাও অনেক বেশি।

উপজেলার প্রধান পশু হাট পৌরসভা পরিচালিত পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, বিপুল পরিমান পশু হাটে আমদানী হয়েছে, ক্রেতার বিড়ও উপচে পড়া। হাটে পশু বিক্রি করতে আসা আবুল হোসেন বলেন, গত বছর দুটি গরু এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করেছিল, একই গরু এই বছর এক লাখ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি দাম কেউ করছে না। অথচ এই গরু দুটি সে এক বছর থেকে তৈরী করছে কোরবানীর হাটে বিক্রি করার জন্য।

একই কথা বলেন পশু বিক্রি করতে আসা সামছুল ্আলম সেও একটি বড় গরু বিক্রি করতে এসেছে, কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী দাম পাচ্ছে না। হাটে গরু বেচা-কেনা করার সহযোগীতাকারী আব্দুর গফুল বলেন, হাটে যে পরিমান গরু আমদানী হয়েছে, সেই পরিমান ক্রেতাও আছে, কিন্তু বড় গরুর ক্রেতা কম হওয়ায়, বেশি দামী গরু তেমন বিক্রি হচ্ছে না। অথচ ছোট ও কম দামের গরুই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

গরু ব্যবসায়ীরা বলছেন সম্প্রতিক এই অঞ্চল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় কৃষকদের নতুন করে আমন রোপন করতে হচ্ছে, এই কারনে কৃষদের হাতে টাকা নাই, আর কোরবানীর হাটে অধিকাংশ ক্রেতা কৃষক, এই কারনে কৃষকেরা অল্পদামে ছোট গরু কোবানী দেয়ার জন্য নিদ্ধারন করছে, ফলে হাটে ছোট ও কমদামের গরুর চাহিদা অনেক বেশি।

ফুলবাড়ী পৌর পশুর হাট ছাড়াও ঈদুল আযহা উপলক্ষে উপজেলার আমডুঙ্গির হাট, বারাই হাট, মাদিলা হাট,আটপুকুর হাট, পুখুরী হাট ও খয়েরবাড়ী হাটে নিয়মিত পশুর হাট বসছে, গ্রামের হাট গুলোতেও কোরবানীর পশুর ব্যপক আমদানী হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য