আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ-উল আযহা। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুরে জমে উঠেছে পশুর হাট। সদর উপজেলার সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী পশুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের ঢল নেমেছে। যেন হাটে তিল ধরার ঠাই নেই।

সরেজমিনে, বিভিন্ন হাটঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ পশুর দাম হাকছেন, কেউবা আবার দাম যাচাই করছেন? একাধিক পশু ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানাযায়, ক্রেতারা দাম ছাড়ছেন না। তাই পশু কিনতে বেগ পোহাতে হচ্ছে। বিক্রেতারা সে অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, ক্রেতারা পশুর সঠিক দামই করছেন না বলে তারা পশু বিক্রি করতে পারছেন না।

পশু বিক্রেতা তালেব মিয়া জানান, গত মঙ্গল বার হাটে একটি পশু নিয়ে এসেছিলাম পাইকাররা দাম করেছিল ১লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। পরে বাধ্য হয়ে আবার পশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যেতে হয়েছে। আজ আবার পশুটিকে হাটে নিয়ে এসেছি কিন্তু আজও একই দাম করা হচ্ছে। তার মতে অন্যান্য বারের তুলনায় এবার পশুর দাম অনেক কম। এতে করে খামারিদের অনেক লোকসান গুণতে হবে।

পশু খামারি সোবহান আলী বলেন, হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সমাগমই বেশি ঘটছে। তাই পশুর দাম একটু কমেই রয়েছে। তিনি মনে করেন আগামী হাট থেকে পশুর সঠিক দাম পাওয়া যেতে পারে।

এ বিষয়ে হাট ইজাদার আরিফ মিয়া রিজুর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান হাটে পর্যাপ্ত গরু উঠেছে। ঈদের আরও বেশ কিছুদিন বাকী আছে। পরের হাটগুলো থেকে আরও বিক্রি বাড়বে বলে তিনি আশা করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য