জিন্নাত হোসেন, দিনাজপুর থেকেঃ ২৪ আগষ্ট ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যা দিবসেই আবারো দিনাজপুরে সাড়ে ৪ বৎসরের শিশু গম গবেষণা কেন্দ্রের মসজিদের ইমাম সাখাওয়াত হোসেন কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়।

ঘটনা স্থলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ আসামীকে পুলিশের হাতে সর্পোদ করেন। এই ঘটনায় মহিলা পরিষদের সভাপতি কানিজ রহমান, সাধারণ সম্পাদক ড. মারুফা বেগমসহ নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ধর্ষণ ও নির্যাতনের কারণে যেসকল হত্যাকান্ড হচ্ছে, সে সকল ঘটনার দ্রুত বিচারের দাবী জানিয়েছেন।

নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, আমরা সকলে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পেয়েছি ও উদযাপন করছি কিন্তু এ দিবসেই শিশুরা ধর্ষিত হচ্ছে। যতদিন এদেশের সকল স্তরে নারী নির্যাতন বন্ধ না হয় ততদিন মহিলা পরিষদ নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করে যাবে।

সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি কানিজ রহমান, সহ-সভাপতি মাহাবুবা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মারুফা বেগম, সহ- সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারা সানু, সম্মানিত সদস্য আকতার কহিনুর ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবিনা আকতার, লিগ্যাল এইড সম্পাদক জিন্নুরাইন পারু, সদস্য জেসমিন ও অনামিকা।

এর আগে পুলিশ কর্তৃক ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যা দিবসে দেশব্যাপি সকল ধর্ষণ,হত্যা ও নির্যাতনকারীদের প্রতিহত এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখা সকাল ১১টায় দশ মাইল মোড়ে মানববন্ধনের আয়োজন করে।

উক্ত সভায় বক্তরা বলেন, দিনাজপুরের মেয়ে ইয়াসমিনকে পুলিশবেশে জনগণের রক্ষকরা ধর্ষণ ও হত্যা করে। এই বর্বরোচিত হত্যার প্রতিবাদে দিনাজপুরের মানুষ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ সেখানেও গুলি চালায় ফলে ৬জন নিহত হয়।

ইয়াসমিন হত্যার প্রতিবাদ করতে যেয়ে যারা সেদিন নিহত হয়েছে তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা ব্যক্ত করে বলেন, এদেশের নারী সমাজ সারাজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আগামীতে নারী সমাজের প্রতি সকল অন্যায় অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে মহিলা পরিষদ সামনের সারিতে থাকবে এবং সাম্প্রতিক সময়ে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। চার বৎসরের শিশু থেকে ষাট বৎসরের বৃদ্ধা-কেউ নিরাপদ নন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য