দেলোয়ার হোসেন বাদশা, চিরিরবন্দর থেকেঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আমন ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: গোলাম মারুফ এর নের্তৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

পরিদর্শন দল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত আমন ও সবজি ক্ষেত পরিদর্শন করে বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয় নিয়ে কৃষকদের সাথে মতবিনিময় ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ বিভাগের তথ্য মতে বন্যায় চিরিরবন্দরে অন্তত সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েক’শ একর জমি বন্যায় বিলীন হয়ে গেছে। রোপা আমন সহ মৌসুমি বিভিন্ন সবজি’র ফসল পানির নিচে এখনো তলিয়েআছে।

এ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অনেক কৃষক। তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, “এবারের বন্যা হামাক পাগল করি দিছে। নষ্ট করি ফেলাইছে তামান ফসল।

আমার এখন কিহবি আল্লাহ জানে। সাই তাড়া এলাকার কৃষক তমিজ তিনি বলেন,“হামরা ৪ বিঘা জমিত ধান লাগাইছোনো তামান এখন শেষ।পরিদর্শন কালে মহাপরিচালকের সাথে অন্যান্যের মধ্যে দিনাজপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো: জুলফিকার হায়দার এবং জেলার উপ-পরিচালক মোঃ গোলাম মোস্তাফা চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদ মো: মাহমুদুলহাস সঙ্গে ছিলেন।

প্রতিনিধি দল বলেন, ডুবে যাওয়া ধান গাছের চারা গুলো পানি দিয়ে ধুয়ে দিয়ে ভালো ভাবে পরিচর্যা করলে তা বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া যে সব ধান বিনষ্ট হয়েছে তা এখনো ৩০ শে ভাদ্র পর্যন্ত ধান লাগানোর সময় আছে। এ সময় ব্রি-ধান-২২, ব্রি-ধান-৩৪, কাটারি ভোগ এবং স্থানীয় জাতের ধান এই মূহুর্তে লাগানো সম্ভব। বীজতলা তৈরী করে ১৫/২০ দিনের মধ্যে তা লাগাতে হবে। এতে কৃষকতার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য