দেলোয়ার হোসেন বাদশা, চিরিরবন্দর থেকেঃ বন্যার্তদের জন্য কোন ত্রান সংকট হবে না। প্রতিটি বন্যার্ত পরিবার সরকারি ত্রান সহায়তা পাবে। ত্রান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য আমরা উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছি। গতকাল শুক্রবার সকালে ৫নং আব্দুলপুর ইউনিয়নে ত্রান বিতরণ অনুষ্টানে উপজেলা আওমীলীগের সভাপতি মো:আইয়ুবুর রহমান শাহ্’র সভাপতিত্বে চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম রব্বানী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চিরিরবন্দরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রতিদিনই ১২টি ইউনিয়নে ত্রান সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সকাল ৮ টা থেকে শুরু করে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বিভিন্ন সময়ে চলছে ত্রান বিতরণ। আর তা সুষ্ঠ তদারকি ও কোন রকম অনিয়ম যাতে না হয় সেদিকে সার্বক্ষনিক নজর রাখা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরীর কাজ শেষ করা হয়েছে। শুক্রবার উপজেলার ১২ ইউনিয়নে বন্যার্তদের ৫ হাজার পরিবারের মাঝে মোট ২৫ মেট্রিকটন চাল বিতরণের জন্য বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ১নং নশরতপুর ইউনিয়নে ৩’শ কেজি, ২নং সাতনালায় ইউনিয়নে ৭’শ কেজি, ৩নং ফতেজংপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৭’শ ৫০ কেজি, ৪নং ইসবপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৫’শ কেজি, ৫নং আব্দুলপুর ইউনিয়নে ৪ হাজার ১’শ ৬০ কেজি, ৬নং অমরপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৭’শ ৫০ কেজি, ৭নং আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নে ৩ হাজার ১’শ ২০ কেজি, ৮নং সাইতাড়া ইউনিয়নে ২ হাজার ৯’শ ২০ কেজি, ৯নং ভিয়াইল ইউনিয়নে ৩ হাজার ৩’শ ৪০ কেজি, ১০নং পুনট্টি ইউনিয়নে ২ হাজার ৫’শ কেজি, ১১নং তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ১’শ ৩০ কেজি, ১২নং আলোকডিহি ইউনিয়নে ৮’শ কেজি।

বরাদ্দকৃত চাল প্রতি পরিবার ৫ কেজি করে সুষ্ঠুভাবে বিতরনের জন্য প্রতি ইউনিয়নে একজন কওে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে ইতিমধ্যে শুকনো খাবার, চাল, ডাল, লবন ও একটি করে পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া ঘর-বাড়ি মেরামতের জন্য নতুন করে তালিকা তৈরী করে অর্থ সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য