ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কারনে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসীরা তাদের ঘোষিত ৮ দফা বাদী আসন্ন ঈদুল আযহার মধ্যে পুরন না হলে, ঈদের পরেই খনির সদর দপ্তর ঘেরাও কর্মসুচি পালনের ঘোষনা দিয়েছেন, বড়পুকুরিয়া, কয়লা খনির কারনে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসীদের গঠিত জিবন, পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষা কমিটি।

বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টায়, বড়পুকুরিয়া বাজারে ও দাবীয়ে যাওয়া রাস্তায় পানিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে এই কর্মসুচি পালনের ঘোষনা করেন, জিবন,পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষা কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান বুলবুল।

বুধবার পুর্ব ঘোষিক কর্মসুচি অনুযায়ী,সকাল সাড়ে ১০ টায় পাতড়াপাড়া মোড় থেকে নারী-পুরুষ সম্মিলিত প্রায় এক হাজার মানুষের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা প্রদক্ষিন করে, বড়পুকুরিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে, বড়পুকুরিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে, সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জিবন, পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষা কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান বুলবুল, সহসভাপতি হাজি লিয়াকত আলী, সাবেক ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান ও মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

জিবন, পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষা কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান বুলবুল বলেন, এখন আমারা ক্ষতিগ্রস্থ ১০ গ্রামের মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছি, কিন্তু এই পানি বন্যার পানি নয়, বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা আহরনের ফলে দিন দিন যে ভুমি অবনমন হচ্ছে, ও বিশাল জলাশয়ে পরিনত হচ্ছে, সেই জলাশয়ের পানি ভারি বর্ষনে বৃদ্ধি পেয়ে, আমাদের ঘর-বাড়ীতে ঢুকে পড়েছে। বড়পুকুরিয়া থেকে ফুলবাড়ী শহরে যাতায়াতের এক মাত্র সড়কটি এখন গভির পানির নিচে তলিয়ে গেছে, এই কারনে আমরা কেই হাটবাজার করতে পারছিনা, ফলে মানবেতর জিবন যাপন করছে খনি এলাকার ১০ গ্রামের মানুষ।

এই বিষয়ে খনি কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ করা সত্বেও তারা কিছুই করছে না। এখন গ্রাম বাসীদের পীট দেয়ালে ঠেকে গেছে, তাই কঠোর আন্দোলন ছাড়া আর কোন পথ খোলা নাই। তিনি আসন্ন ঈদুল আযহার আগেই তাদের চলাচরের পথটি মেরামত করার দাবী জানান। একই দাবী জানান, কমিটির অনান্যরাও।

এই বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহম্মেদ এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দেবে যাওয়া রাস্তাটি ইতি পুর্বে অধিগ্রন করা হয়েছে, কিন্তু গ্রামবাসীদের চলাচলের সুবিদার্থে ওই রাস্তাটি কয়েক দফা মেরামত করা হয়েছে, কিন্তু সম্প্রতিক সময়ে বন্যার পানিতে রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এই জন্য খনি কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যেমে একটি বিকল্প রাস্তা করার উদ্যোগ গ্রহন করেছে, অল্প সমরয়র মধ্যে তা নির্মান করা হবে।

 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য