যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী আর বর্ণবাদ বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার অবস্থানের পক্ষে সাফাই গাইলো হোয়াইট হাউসও।

সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প নমনীয় অবস্থান নিয়েছেন আর কট্টর ডানপন্থীদের বিরুদ্ধ স্পষ্ট করে কিছু বলেননি এমন অভিযোগে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সহিংসতা ছড়িয়ে পরার পর এক টুইট বার্তায় এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনা বহু পক্ষের ঘৃণা, ধর্মান্ধতা আর সহিংসতার বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বিভাজন আর বিদ্বেষ বন্ধের আহ্বানও জানান তিনি।

তবে প্রেসিডেন্টের এই বার্তায় চরম ডানপন্থী শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের স্পষ্ট করে অভিযুক্ত করা হয়নি বলে দাবি করেছেন বেশ কয়েকজন ডেমোক্রেট আর রিপাবলিকান নেতা। রিপাবলিকান সিনেটর কোরি গার্ডনার এক টুইটে প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, অবশ্যই অশুভকে তাদের নাম ধরেই ডাকা উচিত।

শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদেরকে ‘ঘরের সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করেন তিনি। গার্ডনারের বক্তব্যকে মার্কো রুবিও এবং টেড ক্রজের মতো অনেক সিনিয়র রাজনীতিবিদরাও সমর্থন করেছেন। এমনকি ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী আর নব্য নাৎসীবাদীদের বর্ণবাদ ছড়ানোর জন্যে দায়ী করেন।

প্রেসিডেন্টের এমন সমালোচনার জবাবে হোয়াইট হাউজ মুখপাত্র দাবি করেন, ট্রাম্প খুব দৃঢ়তার সাথেই সব ধরনের সহিংসতার বিপক্ষে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। অবশ্যই এর মধ্যে শ্বেতাঙ্গ চরম ডানপন্থী, কেকেকে বা নব্য নাৎসীবাদের মত সব চরমপন্থীরাও রয়েছে।

শনিবার, শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের ডাকা ‘ইউনিয়ন দ্য রাইট’ নামের এক সমাবেশকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। পরে সহিংসতায় একজন নারী নিহত হন, আহত হন বেশ কয়েকজন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য