আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের নিভৃত পল্লী বালাবামুনিয়া গ্রামে এগার শহীদের রক্তের বিনিমিয়ে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে বহু ত্যাগ তিতিক্ষা ও সুনামের সহিত কলেজটি পরিচালিত হয়ে আসছে। শিক্ষার মান উপজেলার অন্যান্য কলেজের চেয়েও কম নয়।

আদর্শ অধ্যক্ষের মাধ্যমে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা অতি সুনামের সহিত পাঠদান দিয়ে আসছেন। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ। কলেজের অধ্যক্ষ মোছাঃ মাহেনুর ফজিলাতুন নেছা জানান, ১৯৯৮ সালে এমপিও ভূক্তির মধ্য দিয়ে ৬৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে কলেজটিতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজারের মত। ওই এলাকার এগার শহীদের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন ও মুজিবের আদর্শিত কন্যা দেশনেত্রী শেখ হাসিনার আশু দৃষ্টি হস্তক্ষেপ কামনা করেন অত্রালাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারসহ এলাকাবাসী। তারা আরো দাবী জানান, কলেজটি যেহেতু শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠিত তাদের ঋণমুক্তির জন্য হলেও কলেজটি সরকারীকরণের জোর প্রার্থনা করেন।

যেহেতু বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তে প্রায় ৩’শ ৫টি কলেজ সরকারিকরণ হতে যাচ্ছে। অথচ বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদেরকে উচ্চ মর্যাদায় রাখার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সেই দৃষ্টিতে ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজটি সরকারিকরণ হলে শহীদদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে না বরং তারা শহীদ হয়েও আত্মশান্তি পাবেন। এ ব্যাপারে অত্রালাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারসহ এলাকাবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিকট জোর আবেদন জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য