D Thanaকুরবান আলী, দিনাজপুরঃ আটকের পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে যে ১০১ জন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে স্বরাষ্ট মন্ত্রনালয়ে নথি প্রেরণ করা হয়েছে সেই তালিকায় দিনাজপুরের তিন থানার তিন পুলিশ কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

এরা হলেন, খানসামা থানার ওসি কৃষ্ণ কুমার সরকার, কোতয়ালী থানার এস আই রফিক ও চিরিরবন্দর থানার এস আই আজম। তারা এখন বহাল তবিয়তে নিজ নিজ কর্ম স্থলে চাকুরী করছেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতায় “১০১ পুলিশের ‘আটক বানিজ্য’ আয় দেড় কোটি টাকা” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দিনাজপুর পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক জল্পরা-কল্পনা চলছে।

এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)কে ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্ত্রনালয়কে অবগত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আইজিপি অফিস থেকে ইতিমধ্যে ডিআইজিকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে বলে একটি সুত্র দাবী করেছে। ঘটনা গুলো ঘটানো হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে।

যাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে জামায়াত শিবিরের নেতা কর্মীই বেশী বলে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেদিক থেকে দিনাজপুর এগিয়ে থাকতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।

কারণ দিনাজপুরে সে সময় জামায়াতের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ করেছে দিনাজপুরের মানুষ। সে সময় জামায়াতের কমপক্ষে সাত মামলার আসামীরাও প্রকাশ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে।

এদিকে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুর কোতয়ালী থানার এস আই রফিকের নাম উঠে আসায় কোতয়ালী পুলিশের এ সংত্রান্ত সফলতা গুলো ম্লান হয়ে গেছে বলে দাবী দিনাজপুরের মানুষের। কোতয়ালী পুলিশও এ নিয়ে চরম বিপাকে বলে জানা গেছে।

পুলিশের একটি অংশ মনে করেন এস আই রফিকের নাম ১০১ জনের তালিকায় থাকায় কোতয়াল থানার ইমেজ আজ প্রশ্নের মুখে। তা ছাড়া এস আই রফিক দিনাজপুর কোতয়ালীতে দীর্ঘ দিন থেকে চাকুরী করছেন। তার থেকে পুরাতন কোন এস আই দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় নেই বলে জানা গেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য