আনোয়ার হোসেন আকাশ, রানীশংকৈল থেকেঃ ছবি তুলে কি হবে পানি কি নিস্কাশন হবে,হবে না । কতজনে ছবি তুলে কি হয় কিছু হয় না। যাদের দেখার তারাতো দেখে না। আমরা নাকি পৌরশহরের বাসিন্দা, শহরের বাসিন্দা তাই আমাদের পানি বন্দি থাকতে হয় সামান্য বৃষ্টিতে মহাসড়কসহ পৌরশহরের বিভিন্ন সড়কগুলোতে পানি জমে থাকে। আর মুসুলধারে বৃষ্টি হলেতো কথায় নেই। সড়ক,বাসাবাড়ীসহ আশপাশ হাটু পানিতে পরিণত হয়। চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারন মানুষের।

কথাগুলো শুক্রবার বিকেলে অনেকটা ক্ষোভের সাথে বলছিলেন ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল পৌরশহরের পথচারী ও পৌর শহরের বাসিন্দা খাইরুল ইসলাম। তিনি বলেন ২০০৪ সালে পৌরসভা স্থাপিত হওয়ার পর থেকে আমরা তাদের নির্ধারিত খাজনা(ট্রাক্স) নিয়মিত পরিশোধ করছি কিন্তু মৌলিক সেবাগুলো পাচ্ছি না। একইভাবে পৌরশহরের বাসিন্দা রহিমসহ একাধিক পথচারী বলেন,আমরা পৌর শহরের বাসিন্দাগণ অনেকটাই পানিবন্দী বিগত কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টি পাত হচ্ছে এতে পৌরশহরের অলিগলি রাস্তা ঘাট এবং কি মহাসড়ক পানিতে ডুবে গেছে। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই।

এখন পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ব্যবস্থা হচ্ছে আকাশের সূর্য। কারন বৃষ্টিপাত কমে সূর্য না উঠলে এ পানি কমার কোন ব্যবস্থা নেই। তাই আমরা বর্তমানের মেয়র আমাদের প্রত্যাশীত পৌরপিতা আলমগীর সরকারের নিকট অতি দ্রুত পৌরশহরের পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা চাই। ড্রেন ছাড়া কোন ভাবেই পৌরশহরের পানি নিষ্কাশনের সমস্যা সমাধান সম্ভব নই। একই দাবী পৌরশহরের একাধিক বাসন্দিার। শুক্রবার সরজমিনে পৌরশহর ঘুরে দেখা যায় পৌরশহরের কাচাবাজারসহ রনি কম্পিউটারের দোকানের সামনে দিয়ে গুদরি বাজার। বন্দর চৌরাস্তা থেকে আ’লীগের উপজেলা সভাপতি সইদুল হকের বাড়ী দিয়ে রংপুরিয়া মার্কেট যাওয়ার রাস্তা। মহলবাড়ী টাওয়ার সংলগ্ন রাস্তা।

২নং ওয়ার্ডের আ’লীগ অফিসের সামনের রাস্তা,ভান্ডারা যাওয়ার,এছাড়াও ইক্ষু আবাসিক এলাকার,কলেজ পাড়ার রাস্তাসহ পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ রাস্তাগুলো পানিতে ডুবে রয়েছে। রাস্তা পানিতে ডুবে থাকার কারন হিসেবে জানা যায় পৌরশহর জুড়ে এখন ফাকা তেমন জায়গা নেই পৌরশহর জুড়ে দোকান পাট বাড়ীঘর হয়ে জায়গা পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। নেই কোন খাল বিল বা খোলা স্থান। তাই বৃষ্টি হলে সমস্ত পানি রাস্তা ঘাটেই জমে যায়।

তবে প্লান অনুযায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা করলে এ পানি আর জমে থাকবে না পৌরশহরের রাস্তা ঘাটে এমনটাই মতামত পৌরবাসীর। তাই পৌরশহরের বাসিন্দাদের প্রাণের দাবী যে কোন উন্নয়নের আগে পৌরশহর জুড়ে অতি সত্বর পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে শুক্রবার বিকেলে পৌর মেয়র আলমগীর সরকারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায় নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য