বর্ষা ঋতুর আষাঢ় মাসের শুরুতে তেমন বৃষ্টিপাতের দেখা না মিললেও শ্রাবণের শেষ সপ্তাহে লাগাতার ভারি বর্ষণে তেঁতুলিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। লাগাতার বর্ষণে তেঁতুলিয়ার খাল-বিলে পানি জমেছে। খাল-বিলে পানি জমায় আমন চাষীদের মনে স্বস্তি ফিরেছে। তবে ভারতের উজান থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে মহানন্দা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তেঁতুলিয়া-বাংলাবান্ধা মহাসড়কের পশ্চিম পাশের সরকারপাড়া, ভাদ্রুবাড়ি,কাশিবাড়ি, রণচন্ডি গ্রামবাসী আতংকে রয়েছে। মহানন্দা ছাড়াও তিরনই নদী, রণচন্ডি নদী, গবরা নদী, বেরং নদী, ডাহুক নদী, ভেরসা ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে অনেক এলাকার নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, তেঁতুলিয়ায় মোট আবাদি জমির পরিমাণ ১৪ হাজার ৫শত হেক্টর জমি। চলতি আমন মৌসূমে রোপা আমন লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যে আমন রোপা লাগানো অজর্ন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমি। এখনো সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষীরা বৃষ্টির অভাবে রোপা আমন লাগাতে পারেনি। কিন্তু গত দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে উচু জমিতে আমন রোপা লাগানোর সুযোগ হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর থেমে থেমে ভারি বর্ষণ হয়েছে। তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগার অফিস গত ২৪ ঘন্টায় ১৮২.৮ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। এছাড়া আকাশে আরো বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা পরিলক্ষিত হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য