মার্কিন দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউজের আকাশসীমায় রাশিয়ার গোয়েন্দা বিমান টিইউ-১৫৪কে উড়তে দেখা গেছে। রুশ বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা বিমানকে, পেন্টাগন, ক্যাপিটল নামে পরিচিত ওয়াশিংটনের কংগ্রেস ভবনসহ মার্কিন অন্যান্য সরকারি ভবনের ওপর দিয়েও উড়তে দেখা গেছে।

এ ছাড়া, ভার্জিনিয়ার লাংগলির সিআইএ সদর দফতর, মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডের আকাশ দিয়েও রুশ বিমান উড়েছে। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য রুশ গোয়েন্দা বিমান গতকাল উড়েছে বলে ধারণা ব্যক্ত করা হয়। অবশ্য, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, আমেরিকা রাশিয়াসহ ৩২ দেশের স্বাক্ষরিত ‘খোলা আকাশ চুক্তি’র আওতায় বিমানটি ওয়াশিংটনসহ অন্যান্য এলাকার আকাশসীমা দিয়ে ওড়ে।

চুক্তিতে সই করা দেশগুলোর সদস্যরা অন্য দেশের আকাশসীমা দিয়ে অস্ত্রহীন নজরদারি বিমান ওড়াতে পারবে। স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ তৎপরতা বজায় রাখার স্বার্থে এ ভাবে বিমান ওড়ার অনুমতি ‘খোলা আকাশ চুক্তি’তে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকার আকাশসীমা দিয়ে একটি বিমান উড়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিল মার্কিন ক্যাপিটল পুলিশ। এতে বলা হয়েছে, ক্যাপিটল পুলিশসহ মার্কিন অন্যান্য সংস্থা নিচু দিয় উড়ে যাওয়া বিমানটির ওপর নজর রাখবে।

এ ছাড়া, সন্ধ্যায় আরেকটি রুশ বিমান নিউ জার্সির বেডমিনিস্টারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পত্তির উপর দিয়ে উড়ে যাবে বলে প্রথমে জানিয়েছিল মার্কিন চ্যানেল সিএনএন। ট্রাম্প এখানে অবকাশ যাপন করছেন।

খোলা আকাশ চুক্তির আওতায় কখন বিমান উড়বে তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য মার্কিন বিমান বাহিনীর কয়েক সদস্য রুশ বিমানে ছিলেন। অবশ্য রাশিয়া চুক্তির অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা বা ডিআইএ’র পরিচালক লে জেনারেল ভিনসেন্ট স্টুয়ার্ড। রুশ বিমানকে এ ধরণের উড়তে দেয়ার সুযোগ বন্ধ করে দিতে চান বলেও খোলাখুলি ভাবে জানান তিনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য