আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা জেলা যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর গঠিত সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থীভাবে সদর থানা যুবদলের সভাপতি জামিরুল ইসলাম খন্দকারকে অবৈধভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। অথচ কোন কমিটি বহিস্কার তো দুরের কথা, সংগঠনের পদের পরিচয় প্রদান করার এখতিয়ারও ৯০ দিনের জন্য গঠিত ওই ৩১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির নেই।

এই বেআইনী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সদর থানা যুবদলের সভাপতি জামিরুল ইসলাম খন্দকার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার এর তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রতিকার দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করেন।

লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, গঠনতন্ত্রের ১৫(ছ) অনুচ্ছেদের ধারায় সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত এবং অনুমোদিত কমিটি হলেও সেই কমিটির সদর থানার সভাপতি বা আহবায়ককে বহিস্কারের এখতিয়ার নেই। তদুপরি গঠিত সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিও তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বিলুপ্তি হয়ে গেছে।

ফলে জেলা যুবদলের নামে একটি চক্র সদর থানা যুবদলের সভাপতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার আসামি হিসেবে পত্রিকায় মিথ্যা বানোয়াট বিবৃতি এবং সংবাদ প্রকাশসহ নানাভাবে চক্রান্ত অব্যাহত রেখেছে।

এমনকি গত ৩ আগষ্ট দলীয় কার্যালয়ে ইউনিয়ন সভাপতি, সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে নিয়ে অন্য ইস্যুকে সভা আহবান পূর্বক জামিরুল খন্দকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার চেষ্টা করেও তা ব্যর্থ হয়। এমনকি তার উপর সন্ত্রাসী হামলাও চালানো হয়। গত ৩০ জুলাই কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে জামিরুল খন্দকার ও শহর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন ডলারের নেতৃত্বে যুবদলের নেতাকর্মীদের একটি বিশাল মিছিল গাইবান্ধা শহরে বের করা হলে যুবদলের পদটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারকারি জেলা যুবদলের কতিপয় মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসা পরিচালনাকারি ব্যক্তি তাদের সন্ত্রাসী সহযোগিদের নিয়ে এই প্রতিবাদ মিছিলের উপরও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়।

সংবাদ সম্মেলনে গাইবান্ধার রাজনৈতিক অঙ্গন, মাদকসেবী, দালাল, চাঁদাবাজ, প্রতারকসহ এই অশুভ চক্রের হাত থেকে রক্ষা পাক সেই দাবিও জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সদর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী সরকার, শহর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমানুল্যাহ চৌধুরী সাজু, শহর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন ডলার, ইউনুস খান দুখু, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ আলম ডাবলু, শহর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লুলু, সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন রশিদ রাহাত, নজরুল ইসলাম মন্ডল, যুবনেতা মো. নোমান সরকার, আসাদুল ইসলাম লিমন, খন্দকার ফরিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, মো. মেরাজুল হক, রঞ্জু মিয়া, আব্দুর রউফ, ফরহাদ হোসেন, খলিলুর রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য