দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মুল সড়কটি (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ভাদুরিয়া সড়ক)আজও প্রসস্ত করন করা হয়নি। সারা দেশের সাথে যোগাযোগের একমাত্র ১২ ফিটের এ জন গুরুত্বপূর্ন সড়কটি কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সঠিক ভাবে সংস্কার না করায় খানা খন্দকে ভরে গেছে সড়কটির বিভিন্ন স্থান। একে সরু রাস্তা। তার উপরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দকে ভরে গেছে। ফলে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে ভারী যান বহন সহ সকল প্রকার যান বহন।

বর্ষা মৌসুমে খানা খন্দকে পানি জমে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম জনদুর্ভোগ। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়- দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কটি বিরামপুর থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে একটি বৃহত উপজেলা সদরকে পাস কাটিয়ে সড়কটি বিরামপুর-দলারদরগা দিয়ে নির্মিত হয়। ফলে বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ভাদুরিয়া ২৪ কি.মি.সড়কটি গুরত্ব কমে যাওয়ায় আজও ১২ফিট সড়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সড়কটি দীর্ঘদিন পুর্বে সড়ক জনপদের আওতায় চলে যায়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সড়কটি প্রসস্ত করার কোন উদ্যোগ নেয়নি। প্রসস্ত না হওয়ায় ঝুকিপুর্ণ যানবহন চলাচল ঝুকিপুর্ন হওয়ায় এ সড়কটি দিয়ে ঢাকাগামী ভালো কোন বাস, কুরিয়ার সার্ভিস ও ট্রান্সপোট, পত্রিকার গাড়ী চলাচল করেনা। সে কারনে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, ঢাকাগামী যাত্রীদের ১২ কিঃমিঃ দুরে বিরামপুর গিয়ে ঢাকাগামীদের বাসে উঠতে হয়, কুরিয়ার ও ট্রান্সপোর্টের মালামাল আনতে যেতে হয় বিরামপুর-এ।

স্থানীয় প্রকৌশলী মোঃ মহসিন আলী জানান- দেশের প্রায় উপজেলার মুল সড়ক ১৮ ফিটে উন্নিত করা হয়েছে। অথচ সাড়ে তিন লক্ষ লোকের বসবাস এই বৃহত উপজেলার মুল সড়কটি স্বাধীনতার ৪৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও প্রসস্ত করন করা হয়নি। যা দুঃখ জনক। একটি সড়কের প্রসস্ত করন না হওয়ায় উপজেলা বাসী বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

সম্প্রতি উপজেলা সদরে মহিলা কলেজ মোড়ে সড়কটি খানাখন্দকে পানি জমে গিয়ে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে সড়ক জনপদ সড়কটি স্থায়ী ভাবে সংস্কার না করে পাকা রাস্তার উপর ইট বিছিয়ে হিয়ারিং বন্ড রাস্তা নির্মান করেছে। জনগুরুত্ব পুর্ন সড়কটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রসস্ত করনে কর্তৃপক্ষের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করার দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য