দিনাজপুরের বাঁশেরহাট সংলগ্ন ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার এ তিন দিন ব্যাপী শিশু অধিকার ও নেতৃত্ব গঠন বিষয়ক প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়। গত ৩ আগষ্ট রোজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় এ প্রশিক্ষনটি উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষনটি আয়োজন করে বীরগঞ্জ এডিপি ওর্য়াল্ড ভিশন। প্রশিক্ষটি ০৩ আগষ্ট থেকে ০৫ আগষ্ট পর্যন্ত আয়োজন করা হয়। উক্ত প্রশিক্ষনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভেন্ট ট্রিপল্যান্ড,সিনিয়র এডিপি ম্যানেজার বীরগঞ্জ এডিপি,ওর্য়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও যোসেফ মিন্স,পি,ও,ডি,পি,এ বীরগঞ্জ এডিপি।

প্রশিক্ষনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর রেজাউল করিম,এ্যাডভোকেসি এ্যান্ড কমিউনিকেশন কোর্ডিনেটর,দিনাজপুর এডিপি। উপস্থিত ছিলেন সকল ওর্য়াড এর সদস্যবৃন্দ। প্রশিক্ষনে মোট সদস্য উপস্থিত ছিলেন ৪০জন। প্রশিক্ষক সদস্যদের নেতৃত্ব বিকাশের ধারাটি ভালো ভাবে সবার সাথে সহভাগিতা করেন। Situational Leadership কিভাবে হওয়া যায় এবং এবং সংগঠনের কার্যক্রম সম্পাদন করা যেতে পারে তা তুলে ধরেন। একজন নেতার কি কি গুনাবলী থাকা আবশ্যক তা বলেন যেমন: ধৈর্যশীল হতে হবে,আন্তরিকতা থাকতে হবে,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা আবশ্যক ইত্যাদি।

একটি সংগঠনে সদস্যদের মাঝে দ্বন্দের সৃষ্টি না হয় তাহলে সবার মতামত সবাই পোষন করতে পারবো না। দ্বন্দের সুফল: নতুন কর্ম উদ্দিপনা সৃষ্টি হবে,দ্বন্দের ফলে দলের চলমান সংকট দূর হবে ইত্যাদি। এ্যাডভেন্ট দাদা একটি কৌশল আমাদের শিখিয়ে দেন তা হলো প্রথমত নিজেকে জানা। আর এটি প্রথম আবিষ্কার করেন জোহারি উইনডো। সবার মাঝে যদি Motivation অর্থ্যাৎ উৎসাহ না থাকে তাহলে কোনো ভাবেই সংগঠনের উন্নয়ন সম্ভব না।

শিশুদের এবং শিশু ফোরামের লক্ষ্য হচ্ছে সকল শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্ব বিকাশ সাধন করা এবং উদ্দেশ্য হলো উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রতিটি ক্ষেত্রে শিশুদেরকে সক্রিয় অংশগ্রহন করানো (পরিকল্পনা,বাস্তবায়ন,মনিটরিং এবং মূল্যায়ন),শিশুদেরকে উন্নয়নের দূত হিসেবে তৈরী করা,শিশুদেরকে ভবিষৎ নেতা হিসেবে তৈরী করা এবং পরিশেষে বয়স বৃদ্ধির সাথে আবেগের চাপে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জন। রেজা ভাই আমাদের সঠিক যোগাযোগ করার পতক্ষেপ গুলো ভালো ভাবে সবার সাথে সহভাগিতা করেন।

সঠিক যোগাযোগ ব্যবস্থা হলো কোনো বার্তা সঠিক মাধ্যম দিয়ে প্রাপকের কাছে পৌছানো এবং প্রাপকের ফিরতি বার্তা আসাটাকেই বোঝায়। প্রশিক্ষনে সদস্যরা সবাই সুন্দরভাবে দলীয় কার্যক্রম গুলো সম্পন্ন করেন। প্রতিটি ওর্যাড এর আগামী পাঁচ মাসের কর্মপরিকল্পনা ব্রাউন পেপারে লিখে যোসেফ দাদার কাছে জমা দেন এবং এই কর্মপরিকল্পনা সবাই সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করবে তা প্রতিটি ওর্যাডের সভাপতি/সভানেত্রী দাদাকে বলেন এবং পরিশেষে সবার মাঝ থেকে চার জনের কাছ থেকে এই তিন দিন ব্যাপী প্রশিক্ষটি তাদের কাছে কেমন লেগেছে তা শোনা হয়। যোসেফ দাদা এবং রেজা ভাই তাদের মূল্যবান বক্তব্য ও সবার শুস্বাস্থ কামনা করে এই তিনদিন ব্যাপী প্রশিক্ষনটির সম্পাত্তি করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য