রজব আলী, ফুলবাড়ী থেকেঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে তিন ফসলি জমিতে গড়ে উঠছে ইট ভাটা, এতে হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি, এছাড়া গ্রামের কোল ঘেষে ইট ভাটা গড়ে উঠায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে, ওই এলাকার বাসীন্দারা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের চককবীর গ্রামে, সেখানে, গ্রামের কোল ঘেষে তিন ফসলি জমিতে গড়ে উঠছে একটি নতুন ইট ভাটা, এতে ফসলের মাঠ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কায় ওই গ্রামের বাসীন্দা প্রসাশনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় প্রসাশন কয়েক দফা ইট ভাটি নির্মানের বাধা দেওয়ার পরেও, সেখানে ভাটা মালিক চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নির্মান কাজ।

চককবীর গ্রামের সৈয়দ সুলতান মাহমুদ বলেন, এই ভাটাটি গড়ে উঠলে, গ্রাম বাসীদের আবাদি জমি ও স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে পড়াবে এবং এখানে পাশাপাশি দু’টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, সেই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচল করা ব্যাপক অসুবিদার সুষ্টি হবে, এই কারনে তিনি গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে প্রসাশনের বিভিন্ন দপ্তরে, এই ভাটাটি বন্ধের জন্য আবেদন করেছেন।

চককবীর গ্রামের বাসীন্দা ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহকারী অধ্যাপক ডাঃ নাদির হোসেন বলেন, গ্রামের ধারে ইট ভাটা গড়ে উঠলে, ইট ভাটায় পোড়ানো কয়লার নির্গত ধোয়া বাতাশের সাথে মিশে, তা মানব দেহে প্রবেশ করে, এতে সাধারন মানুষ স্বাসকষ্ট, চর্ম রোগে আক্রান্ত হবে, একই সাথে শিশুদের বেড়ে উঠায় বাধা গ্রস্থ হবে। তিনি বলেন, গ্রামের ধারে এই ইট ভাটাটি বন্ধ না করলে. এই এলাকার বাসীন্দারা চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়বে। এই জন্য তিনি, গ্রামের ধারে এই ইট ভাটাটি বন্ধ করতে প্রসাশনে হস্ত ক্ষেপ কামনা করেছেন।

নির্মানধীন ইট ভাটা মালিক ইউপি সদস্য বাবলু মেম্বর বলেন. নির্মাধীন ইট ভাটাটি কার নিজেস্ব্য জমিতে করছেন, সেই জমি গুলোতে তার ঠিক মত চাষ হয়না, তার দাবী এই ইট ভাটাটি গড়ে উঠলে সেখানকার অনেক গরিব লোকের কর্মসংস্থান সুষ্টি হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এহেতেশাম রেজা বলেন, এলাকাবীর অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেড ও সহকারী কমিশনার ভুমি, নাসিম আহম্মেদ, ভাটাটি পরিদশৃন করে তা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এর পরেও যদি ভাটা মালিক ভাটাটি পুনঃরায় নির্মান করতে যায় তাহলে ওই মালিকের বিরুদ্ধে আনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য