পর্তুগালের এক সমুদ্র সৈকতে হাল্কা একটি বিমানের জরুরি অবতরণের সময় একটি শিশু ও একজন পুরুষ নিহত হয়েছেন।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ক্যাপারিকা এলাকার সাও জোয়াও সৈকতে ঘটনাটি ঘটেছে বলে কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে বিবিসি।

দেশটির জাতীয় সমুদ্রবিষয়ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সৈকতে নেমে আসা বিমানটিকে এড়াতে না পেরে মধ্যবয়স্ক ওই ব্যক্তি ও ছোট বালিকাটি নিহত হয়েছেন, তবে বিমানটির দুই আরোহী অক্ষত আছেন।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিমানটি সৈকতের উপর খুব নিচু দিয়ে উড়ছিল, তবে অন্যান্য লোকজন দৌঁড় শুরু করার আগ পর্যন্ত কিছু ঘটেছে বলে বুঝে উঠতে পারেননি তিনি।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “পানির কিনারে দাঁড়িয়ে ছিলাম, তখন বিমানটিকে দেখতে পাই। আমি আমার বাবা-মাকে ডাকি, এরমধ্যে বিমানটি বালুতে পড়ে গিয়ে দুজন মানুষের ওপর দিয়ে চলে যায়, তারা মারাত্মভাবে আহত হয় এবং আরো একজন আহত হয় বলে আমার ধারণা; কিন্তু আমি নিশ্চিত নই, কারণ লোকজন দৌঁড়ে সরে যাচ্ছিল।

“বিমানটি এখনও ওই জায়গাতেই আছে, দ্রুতই অ্যাম্বুলেন্স চলে আসে। সম্ভবত বিমানটির জ্বালানি ফুরিয়ে গিয়েছিল, কারণ সৈকতে নামার পর বিমানটিকে অদ্ভুত লাগছিল।”

অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি জরুরি অবতরণ করার সময় নিহতরা রোদ্রস্নান করছিল।

নিহত বালিকাটি তার বামা-মার সঙ্গে ছিল এবং তারা অক্ষত আছেন বলে স্থানীয় একটি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ছোট একটি বিমান বালুতে দাঁড়ানো, সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলেই মনে হয়েছে এবং লোকজন ও জরুরি বিভাগের কর্মীরা বিমানটিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন।

বিমানটির জরুরি অবতরণের কারণ পরিষ্কার হয়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য