দেলোয়ার হোসেন বাদশা, চিরিরবন্দর থেকেঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা সদরের প্রায় সব ক’টি পাকা সড়কের বেহাল দশা দেখা দিয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনদুর্ভোগ। সংস্কারের কোন উদ্যোগ না থাকায় দুর্গতি যেন হয়েছে এখানকার মানুষের গতি। সংস্কারের এক বছরের মাথায় খানাখন্দে পরিণত হয়ে সড়কগুলি হয়েছে যেন মরণ ফাঁদ। এ অবস্থায় সড়কগুলি দিয়ে হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

তবে সড়ক সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসী ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর একাধিকবার দাবি জানালেও বাস্তবায়ন ঝুলে আছে আশ্বাসে। সরেজমিন উপজেলার ঘুঘুরাতলী মোড় হতে টি.এন্ড.টি মোড় রেলষ্টেশন হয়ে শিমুলতলী বাজার পর্যন্ত সড়কের দশা বেহাল। সড়কের অধিকাংশ জুড়ে খানাখন্দে ভরা। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বৃষ্টি হলে এসব গর্ত কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও উরু পর্যন্ত পানিতে ভরে থাকে। এছাড়া কিছু কিছু সড়কের বিটুমিন উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত।

থানা যাওয়া আসার একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না হওয়ায় জরুরী কাজে আইন শৃংখলা বাহিনীর গাড়ী বের হওয়া বড়ই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা ব্যস্ততম এই সড়কগুলি শুষ্ক মৌসুমে পরিণত হয় ধুলার রাজ্য আর বর্ষা মৌসুমে হয় কাঁদার বাগাড়। ফলে সরকারী বেসরকারী স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী শিক্ষক অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী সাধারণ জনগন বিভিন্ন যানবাহন চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছে।

এলাকাবাসীর অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সড়কগুলিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ও সংস্কার করায় বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। অপরদিকে রাস্তার পাশের মার্কেটগুলি সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অপরিকল্পিতভাবে দোকান ঘর তৈরী করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলেও জানান। এ অবস্থায় এলজিইডিসহ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর দ্রুত সড়কগুলি মেরামত না করলে জনদুর্ভোগ দিনদিন বেড়েই চলবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী জানান, বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করানো হয়েছে। হয়তো খুব তাড়াতাড়ি সড়কগুলি মেরামতের কাজ শুরু হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য