জেলার ডোমার উপজেলা শহরের ডোমার মহিলা ডিগ্রি কলেজ নানা অনিয়মের আখড়ায় পরিনত হযেছে। বর্তমানে সেখানে অনিয়মই নিয়মে পরিনত হয়েছে, যেন দেখার কেউ নেই। উপজেলার শহরের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত ডোমার মহিলা ডিগ্রি কলেজ। এ কলেজে ডোমার ছাড়াও পার্শ^বর্তী একাধিক উপজেলার প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে আসছেন।

এ প্রতিষ্ঠানে অর্ধ শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছেন। জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর হতে কলেজটি নানা অনিয়মের আখড়ায় পরিনত হয়েছে। কলেজের কোন শিক্ষকের কলেজে নিয়মিত উপস্থিতি নেই। তারা কলেজে আসা-যাওয়া করেন তাদের খেয়াল খুশি মত। সরকারী বিধি অনুযায়ী সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত কলেজে উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।

কলেজ শিক্ষকগন যেন পাঠদানকে তাদের ঐচ্ছিক পেশা হিসাবে নিয়েছেন। শিক্ষকতার বাইরেও তাদের রয়েছে সাংবিধানিকভাবে লাভজনক একাধিক পেশা। আর তাদের বাড়তি সকল পেশায় সময় দেয়ার কারণে শিক্ষকতায় সময় দিতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ।

এমনকি খোদ কলেজ অধ্যক্ষ একাধিক সাংবিধানিকভাবে লাভজনক পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। এর ফলে অপরাপর শিক্ষকদের কাছে তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। এর ফলে শিক্ষার্থী অভিভাবক ও সাধারনের মাঝে বাড়েেছ ক্ষোভ। এমনি নানা উদ্ভুদ পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরী হচ্ছে একটির পর আরেকটি অনিয়ম।

শুধু শিক্ষক অনুপস্থিতি নয় চলতি বছর ভর্তি ফি অতিরিক্ত টাকা সহ এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার ফরম পুরনে ৪ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়েছে। সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হয় এ বাড়তি অর্থ।

যেন ওই প্রতিষ্ঠানকে দেখার কেউ নেই। এ ব্যাপারে কলেজ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম বাবুল জানান, এ সকল বিষয়ে একাধিকবার জানানোর পরেও কোন উন্নতি হচ্ছে না। এ ব্যাপারে ডোমার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহীনুল ইসলাম বাবু সারা দেশের কলেজ এভাবে চলে বলে দাবী করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য