আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চৌধরীমোড় রাস্তাটি ভেঙে পড়ে আছে বেশ কয়েক দিন ধরে এতে রাস্তাটি দিয়ে চলাচলকারি তিনটি গ্রামের কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, মহা সড়কের পাশে রাস্তাটির অবস্থান। রাস্তাটির একটি অংশ নেই। ভেতরের ইট বেরিয়ে এসেছে। ভাঙা অংশের ওপর ইট বসানো আছে। তার ওপর দিয়ে রিকশা-সাইকেল চলছে। অন্য কোনো যানবাহন চলার সুযোগ নেই। আবার এতে যেকোনো মুহূর্তে যানবাহন খালে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় চৌধরীমোড় গ্রামের নয়া কামার জানালেন,প্রায় বিষ দিন আগে ভেঙে পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে ভাঙতে ভাঙতে এখন প্রায় ২০ বর্গফুটজুড়ে গর্ত হয়ে গেছে। ফলে এখন বড় কোনো যানবাহন এ সড়কে আসতে পারে না। এলাকার লোকজন ভাঙা অংশে ইট বসিয়ে দিয়ে সাইকেল ও রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করেছে। কাশিরাম গ্রাম ছাড়াও উপজেলার বৈরাতী গ্রামের লোকজন এ রাস্তা হয়ে যাতায়াত করে। এসব গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার বাসিন্দা এখন কালীগঞ্জহাটে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন মালামাল আনা-নেওয়া করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

একটু বৃষ্টিতে হাটু পানি চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা – ধীরগতি, সামান্য বৃষ্টিতেই ভোগান্তি এই এলাকার মানুষের বাজার হিসেবে কালীগঞ্জ  ওপর নির্ভরশীল। তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের  সূত্রে জানা গিয়েছে, তুষভান্ডার রেলস্টেশনের  রাস্তা সংস্কারের জন্য টাকা বরাদ্দ ইতিমধ্যেই হয়েছে। তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নুরনবী বলেন আমি তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  নুর ইসলাম কাছে, রাস্তাটি  ভেঙে পড়ার পরপরই তিনি উপজেলা প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান। কিন্তু রাস্তাটি  সংস্কারে আজ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেয়নি তারা।

চৌধরীমোড় থেকে তুষভান্ডার রেলস্টেশনের  আশপাশের গ্রামগুলোতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই রেলস্টেশনের  সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে  কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান  মাহবুবুজ্জামান   বলেন, রাস্তা ভেঙে পড়ার বিষয়ে  আমরা কার্যালয়কে লিখিতভাবে অবগত করেছি। এখন যেহেতু বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে, তিনি শিগগিরই রাস্তাটি  সংস্কারের ব্যবস্থা করবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য