মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে বীরগঞ্জে গত শুক্রবার প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার আমরন অনশন শুরু করেছে। প্রেমিকের বাড়ীতেই লাশ দাফনের জন্য স্বজনতের কাছে দাবি জানিয়েছে কলেজ ছাত্রী তাসলিমা।

উপজেলার গোবিন্দপাড়া গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে সালন্দর কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ তাসলিমা আক্তারের সাথে ৫ বছর আগে জিন্দাপীরের ওরশ মেলায় সাতোর ইউনিয়নের সাতোর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে প্রাইভেট কলেজের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার ছাত্র মঞ্জুরুল ইসলামের দেখা হয়।

প্রথম দেখাতে উভয়ের মধ্যে ভাললাগা থেকে ভালবাসা তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এক পর্যায়ে গভীর সম্পর্কে রূপ নেয়। তারা বিয়ে করে ঘর সংসার বাধার স্বপ্ন দেখে। তাদের মাঝে মোবাইলে সারাক্ষন একে অপরের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ রক্ষা করে খবরা-খবর নিয়ে প্রেমের সম্পর্ক দানাবাধে।

তাসলিমা ও মঞ্জুরুলের সাথে মোবাইলে কথপেকোথন সন্ধেহ জনক হলেও অভিভঅবক ও বন্ধ-বান্ধবদের কাছে সম্পর্কের কথা এরিয়ে যেত তারা। গত ২৮ জুন ম্যাজিষ্ট্রেট কোটে গোপনে এফিডেফিট ও বিবাহ কাজী রেজিষ্ট্রেরী করার কথা বলে কলেজ ছাত্রী তাসলিমাকে বাড়ী থেকে দিনাজপুর নিয়ে যায়।

দিনাজপুর নিয়ে গিয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট কোটে গোপনে এফিডেফিট ও বিবাহ কাজী রেজিষ্ট্রেরীর নামে তাসলিমাকে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে যৌন মিলনে লিপ্ত হয়। যৌন মিলনের সময় স্থানীয় রশিক যুবকের একটি দল আটক করলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়।

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়কে চ্যালেন্স করলে তারা কোন প্রকার দলিল উপস্থাপনে ব্যার্থ হয়। তাদের নোটারী পাবলিকে এফিডেফিট ও কাজী রেজিষ্ট্রেীর মাধমে বিবাহ দিয়ে তাদের হাতে বিবাহের দলিল ধরিয়ে দিয়ে বিদায় করেন। মঞ্জুরুল বিবাহের দলিল ও নববধু তাসলিমাকে সাথে নিয়ে রামসাগরের পাশে মামার বাড়ীতে আশ্রয় নেয়।

মামার বাড়ীতে বাসর ঘরে রাত্রি যাপনসহ এক সপ্তাহ বসবাসের পর শশুরবাড়ী গোবিন্দপাড়া এসে আরও এক সপ্তাহ অবস্থান করে। বড় ভাই শাহীনের বিবাহের অজুহাতে মঞ্জুরুল তার দুলাভাইয়ের সাথে বাড়ীতে চলে আসে। বাড়ীতে আসর পর পরিবারের লোকজন মঞ্জুরুলকে আটক করে দেয়, সে পরিবারের কাছে জিম্মি হলে পড়ে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য