মো. জাকির হোসেন সৈয়দপুর (নীলফামারী) থেকেঃ সৈয়দপুর শহরের কয়া মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় অপ্রীতিকর অবস্থায় এক যুবক-যুবতীকে আটক করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বেলা ১২টায় দিগম্বর অবস্থায় আটককৃতদের তৎক্ষণাত বিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হলে দুই পরিবারের লোকজন স্থানীয় কিছু মুখোশধারী নেতাদের মোটা অংকে ম্যানেজ করে ওইদিন রাত প্রায় ৩টায় ১৫ দিনের মধ্যে তাদের বিয়ে করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সূত্র জানায়, সৈয়দপুর শহরের নতুনবাবুপাড়ার বাসিন্দা শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের পাক ফার্মেসীর স্বত্ত্বাধিকারী হেদাকাত আলীর ছেলে রকির (২৪) সাথে কয়ামিস্ত্রিপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাপুর (২৪) বছর খানেক থেকে প্রেমের নামে দৈহিক মেলামেশা চলে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় প্রেমিকা সাপু তার প্রেমিককে নিজ বাড়িতে ডেকে নেয়। প্রেমিক রকি তার প্রেমিকাকে ওই বাড়িতে একা পেয়ে দৈহিক মেলামেশায় লিপ্ত হয়। ওই সময় এলাকাবাসী টের পেয়ে তাদের দিগম্বর অবস্থায় আটক করে। প্রেমিকা সাপুর পিতা সাখাওয়াত হোসেন বেলা ২টায় বাড়িতে এসে নিজ মেয়ে ও ওই যুবকের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে উল্টো এলাকাবাসীর ওপর চড়াও হয়ে যায়।

এক পর্যায়ে ঘটনাস্থল পৌঁছায় সৈয়দপুর উপজেলার চেয়ারম্যান মোকছেদুল মোমিন। তিনি দুই পরিবারকে একত্রিত হয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার সমাধান করতে বলেন। কিন্তু পরে উপজেলা চেয়ারম্যানের কথার কোন তোয়াক্কা না করে রাত প্রায় ৩টায় মুখোশধারী কয়েকজন নেতা ওই দুই পরিবারের কাছে মোটা অংক আদায় করে ১৫ দিনের মধ্যে বিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওই এলাকার সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর জোসনা বেগম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যদি আটককৃত যুবক-যুবতীর বিয়ে দেয়া না হয় তাহলে এলাকায় বড় ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য