ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে আজ ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে ৩ গেরিলা নিহত হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের বান্দিপোরার গুরেজ সেক্টরে গেরিলারা ভারতীয় এলাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী তা ব্যর্থ করে দেয় এবং গুলিতে ৩ গেরিলা নিহত হয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লে. কর্নেল রাজেশ কালিয়া বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন জওয়ানরা আজ ভোরে গুরেজ সেক্টরে আজাদ কাশ্মির থেকে সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশ করতে প্রবেশ করতে দেখে। নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আত্মসমর্পণের কথা বললে একপর্যায়ে তারা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি চালাতে শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা জবাবে এ পর্যন্ত ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।’

লে. কর্নেল রাজেশ কালিয়া বলেন, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলছিল। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের যেকোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে গোটা এলাকা সিল করে দেয়া হয়েছে বলেও রাজেশ কালিয়া জানান।

এদিকে, কাশ্মিরে হুররিয়াত নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে অনন্তনাগ জেলার বিজবেহারায় গতকাল বুধবার প্রতিবাদী জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে তরুণরা পাথর ছুঁড়লে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মারমুখী জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে কাঁদানে গ্যাসের সেল ছুঁড়তে হয়।

পাকিস্তান থেকে আর্থিক মদত নিয়ে কাশ্মিরে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে গত সোমবার হুররিয়াত নেতা ফারুক আহমেদ দার ওরফে বিট্টা কারাটে, নঈম খান, শহিদুল ইসলাম, আলতাফ আহমেদ শাহ্, মেহেরাজউদ্দিন কালওয়াল, আইয়াজ আকবর এবং পীর সাইফুল্লাহকে জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ গ্রেফতার করে।

মঙ্গলবার দিল্লির এক আদালত তাদের ১০ দিনের জন্য এনআইএ রিমান্ডের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ আগস্ট ওই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিজবেহারায় বিক্ষোভ প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।

এ প্রসঙ্গে হুররিয়াতের একাংশের চেয়ারম্যান মীরওয়াইজ ওমর ফারুক বলেন, সরকার এনআইএকে ব্যবহার করে কাশ্মিরের মানুষের আন্দোলনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য