জর্দানের রাজধানী আম্মানে ইসরাইলি দূতাবাসের খুনী নিরাপত্তারক্ষীকে বিনা জিজ্ঞাসাবাদে ছেড়ে দিয়েছে জর্দান সরকার। গত রোববার আম্মানে ইসরাইলি দূতাবাসের ওপর বিক্ষুব্ধ জনতা চড়াও হলে ওই নিরাপত্তারক্ষী দুজনকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার পর জর্দান সরকার বলেছিল, হত্যার বিষয়ে নিরাপত্তারক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ইসরাইলি দূতাবাসের অন্য কর্মচারি-কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই খুনী নিরাপত্তারক্ষীকে তেল আবিবে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রথমে জর্দান বলেছিল, তারা ওই নিরাপত্তারক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কিন্তু পরে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে আমেরিকা।

রোববার হত্যাকাণ্ডের পর ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আম্মানের কাছে বিশেষ বার্তা দিয়ে একজন দূত পাঠিয়েছেন। এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত জ্যাসন গ্রিনব্ল্যাট প্রথমে তেল আবিব ও পরে আম্মান সফর করেন।

গত রোববার ইসরাইলি নিরাপত্তারক্ষী জর্দানের যে দুই নাগরিককে হত্যা করেছে তার মধ্যে ১৬ বছরের এক তরুণ রয়েছেন। তিনি ইসরাইলি দূতাবাসে কাঠের ফার্নিচারের কাজ করছিলেন। নিহত মুহাম্মাদ জাওয়াদাহর বাবা বলেছেন, তার ছেলে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমনকি কোনো সন্ত্রাসীও ছিলেন না। কেন তাকে হত্যা করা হলো এবং এ বিষয়ে কীভাবে তদন্ত চলছে তিনি তা জানতে চেয়েছেন।

ঘটনার দিন জর্দানের এ তরুণ স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেছে ইসরাইলি দূতাবাসের ওই নিরাপত্তারক্ষী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য