মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ থেকেঃ বীরগঞ্জে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে বাড়ীতে এসে ধর্ষনে চেষ্টা, বিচার চেয়েছে মা-বাবা।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া নতুনবাড়ী গ্রামের মিঠু মিয়ার স্ত্রী অহেজা খাতুন জানায় জানান, ৮১নং মরিচা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী আমার মেয়ে মোছাঃ শিমা আক্তার (১২) কে রেখে কাজের বাড়ী থেকে বাহিরে চলে যাই। শিমার মা অশুস্থ বোনকে দেখতে যায়। গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় প্রতিবেশী মৃত তাজিমদ আলীর লম্পট ছেলে শহীদ মিয়া (৩২) বাড়ীতে এসে রান্না ঘরে ঢুকে শিমাকে একা পেয়ে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে।

জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা কালে ধস্তা-ধস্তিতে মেয়েটির শরীরিরের কাপড় চপড় খুলে ও ছিড়ে যায় এবং শরীরিরের বিভিন্ন যায়গায় আঘাত ও ব্যাথা পায়। শিমার চিৎকারে লম্পট শহীদ পালিয়ে যায়। আমাকে মোবাইল ফোনে ঘটনাটি জানায় বাড়িতে এসে প্রতিবেশী ইউপি সদস্য ও বিদ্যালয় এসএমসি’র সভাপতি মোঃ মোজাম্মেল হককে ঘটনাটি অবহিত করেছি। তিনি স্থানীয় ভাবে বিচারের কথা বলে থানায় বা আদালতে যেতে দেয়নি। ইউপি সদস্য গত শনিবার রাতে ১টি মিল চাতালে বিচার বসিয়ে কাল ক্ষেপন করে শহীদকে তাড়ীয়ে দেয়।

উল্লেখ, ১ বছর পূর্বে শহীদের বড় ভাই আনিছুর রহমান শিমা আক্তার সাথে একই আচড়ন করে। স্থানীয় লোকজন তাকে শাস্তি দেওয়ার পর থেকে তারা প্রতিশোধ বা ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন ভাবে তৎপরতা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

শিমার মা অহেজা খাতুন ও বাবা মিঠু মিয়া ৫ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী মেয়ে শিমা আক্তারের নিরাপত্তা ও শৃলতাহানীর ন্যায় বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ আলম হোসেনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য