পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কাসুর শহরে ছয় মাসে পাঁচ থেকে ১০ বছরের ১০টি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। সবগুলো শিশুর মৃতদেহই শহরটির নির্মাণাধীন বাড়িগুলো থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিযেছে দ্য ডন।

কাসুরের কেন্দ্রস্থলে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। হত্যাকাণ্ডের সর্বশেষ শিকার হয়েছে আট বছর বয়সী এক বালিকা।

৮ জুলাই শহরের শাহ ইনায়াত কলোনির একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে পুলিশ ওই বালিকার লাশ উদ্ধার করে। পথের পাশে স্থাপিত একটি শিক্ষাকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর শিশুটি নিখোঁজ হয়। গৃহকর্মীর সন্তান শিশুটি ওই শিক্ষাকেন্দ্রের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল।

যে ১০টি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে তাদের মধ্যে সাতজন বালিকা ও তিনজন বালক।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডের পর লোকজন রাস্তায় বের হয়ে প্রতিবাদ মিছিল করে আর পুলিশের আশ্বাস পেয়ে ফিরে যায়। খুব শিগগিরই এর সমাধান করা হবে বলে পুলিশ বারবার আশ্বাস দেয়ার পরও একটি ঘটনারও কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি তারা।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে পাঁচ বছরের এক বালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার মধ্য দিয়ে ধারাবাহিক এই খুনের পর্বটি শুরু হয়। কিন্তু ছয় মাস পার হলেও পুলিশ ওই খুনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি; আর এরমধ্যে একই কায়দায় আরো নয়টি শিশুকে খুন করা হয়।

শহরটির ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে এইসব খুনের ঘটনায় শহরবাসীরা আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তদন্তকারী পুলিশ সুপার আমজাদ মাহমুদ কুরাশি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের তার দপ্তরে ডেকেছেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য