দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় বিদ্যুতের ভেলকিবাজী অতিষ্ঠ হয়েছে হাজার হাজার গ্রাহক। আকাশে মেঘ জমলেই ঝড় আসুক আর না আসুক উপজেলার সদর গ্রীডে বিদ্যুৎ সঞ্চালন উধাও হলে ফিরে আসে না নির্দিষ্ট সময়ে।

বিদ্যুতের এই ভেলকি বাজীর কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলার মৎস্য হ্যাচারীগুলো, পোল্ট্রি ফার্ম, মিল-কলকারখানা, কোল্ড স্টোরেজ, হাসপাতালে ফ্রিজে রক্ষিত জীবন রক্ষাকারী বিনষ্টসহ জনজীবনের মারত্মক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

কাহারোল পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জন অফিসে এ,জি,এম মোঃ রুবেল হোসেন জানান, উপজেলায় প্রায় ১৮হাজার বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছে। পিক আওয়ারে চাহিদা রয়েছে ৭ মেগাওয়াট। পাওয়া যাচ্ছে ১ থেকে দেড় মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ ৪ ভাগের ১ ভাগ। অপরদিকে সহকারী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র রায় জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কারণে ঘন ঘন লোড শেডিং হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেইন গ্রীডে বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকার কারণে আমাদের উপজেলায় বিদ্যুত সরবরাহ কম পাচ্ছি। যে টুকু পাচ্ছি সেটুকুই দিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এদিকে বিদ্যুতের লোড শেডিং এর কারণে উপজেলার ২টি হিমাগারে আলু ব্যবসায়ীরা পড়েছে মহাবিপদে। ঘন ঘন লোড শেডিং এর কারণে ঠিকমত হিমাগারে বিদ্যুৎ না থাকায় আলুতে পচন শুরু করেছে। আলু পঁচতে থাকলে ব্যবসায়দের বড় ধরণের লোকসান গুণতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য