‘যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনেপোলিসে পুলিশের গুলিতে এক অস্ট্রেলীয় নারী নিহত হয়েছেন।’

বিবিসি জানিয়েছে, শহরের মেয়র বেটসি হজেস ওই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। অস্ট্রেলীয় নারী জাস্টিন ডেমন্ডের মৃত্যুর পর হারটুর ওপর আস্থা রাখা যাচ্ছিল না বলেও মন্তব্য করেন হজেস।

শুক্রবার পদত্যাগ করার আগে এক সংবাদ সম্মেলনে হারটুও বলেছেন, এমন ঘটনা হওয়া উচিত ছিল না।

নিহত জাস্টিন ডেমন্ড গত সপ্তাহে বাড়ির পাশে এক নারীর চিৎকার শুনে ৯১১ তে খবর দেন। পুলিশ এলে তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য এগিয়ে গেলে মোহামেদ নূর নামে এক কর্মকর্তা ডেমন্ডকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।

বাগদত্তার সঙ্গে মিনেপোলিসেই থাকতেন ৪০ বছর বয়সী যোগব্যায়াম ও মেডিটেশনের শিক্ষক ডেমন্ড, তার বাড়ি সিডনিতে।

ডেমন্ডের মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পুলিশের গুলিতে সাধারণ মানুষ নিহতের ঘটনা নতুন করে আলোচনায় আসে।

এ ঘটনায় তী্ব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল একে ‘ব্যাখ্যাতীত’ ও ‘দুঃখজনক হত্যার ঘটনা’ অ্যাখ্যা দিয়েছেন।

ডেমন্ড পরিবারের আইনজীবি পুলিশের এ ঘটনাকে ‘অবজ্ঞাপূর্ণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ঘটনার সময় পুলিশ সদস্যদের শরীরে থাকা ক্যামেরাগুলো বন্ধ থাকার বিষয়েও সমালোচনা চলছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। স্কোয়াড় কারের ড্যাশবোর্ডের ক্যামেরায়ও পুরো চিত্র আসেনি।

মিনেপোলিসের মেয়র বেটসি হজেস এক লিখিত বিবৃতিতে পুলিশের গুলির ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ অ্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, সেসময় অবশ্যই পুলিশ সদস্যদের গায়ে থাকা ক্যামেরাগুলো চালু থাকা উচিত ছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য