নীলফামারীর ডোমার বাসস্টান সংলগ্ন জামিল হায়দার তুহিনের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা (ক্যানাবিজ) গাছের চাষ হচ্ছে। গাঁজা চাষসহ ওই বাড়িতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সেবনের আখড়া শুরু হয় সন্ধ্যা হলেই। এখবরে বুধবার রাত সাড়ে ১১ টায় ডোমার থানা পুলিশ চারটি বড় বড় গাঁজার গাছ নিধন করে এবং সেই গাছ রক্ষনাবেক্ষনকারী ও মাদকের আখড়ার আয়োজক হেলাল হোসেন (৩৬)কে গ্রেফতার করে। হেলাল ওই একই এলাকার কান্দুরা মাহমুদের ছেলে। পুলিশের এ অভিযানে বাসস্টান্ডের দোকানদার, শ্রমিক ও এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছে।

ডোমার থানার এসআই আরমান আলী জানান, দীর্ঘদিন ধরে গোপনে বাসস্টান এলাকার তুহিনের বাড়িতে গাঁজা চাষ হয়ে আসছিল এবং রাতে ওই বাড়িতে মাদকের আসর বসতো। গোপন সংবাদ পেয়ে ওই বাড়ি হতে বড় বড় চারটি গাাঁজা (ক্যানাবিজ) গাছ নিধন ও গাছগুলো রক্ষনাবেক্ষকারী ওই বাড়ির কেয়ারটেকার হেলাল হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তিনি বলেন, বাড়ির মালিক তুহিন রংপুরে থাকেন। তবে তিনি গাঁজা গাছ ও মাদকের আসরের খবর জানেন।

অটোরিক্সা চালক আজিজুল ও তরিকুল ইসলাম বলেন, ওই বাড়িতে রাত হলেই অনেক মাদকসেবী যাতায়াত করতো। বাড়ির মালিক মাসে দুই/তিন বার রংপুর থেকে এখানে আসে। বাড়ির মালিক থাকার সময়ও মাদকসেবীদের যাতায়াত অব্যাহত থাকতো। পুলিশের এ অভিযানে তারাসহ এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছে।

ডোমার থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: মোকছেদ আলী জানান, এব্যপারে একটি মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপরে গ্রেফতারকৃত হেলালকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য