রাশিয়া সৌদি আগ্রাসন, দুর্ভিক্ষ ও কলেরা মহামারী আক্রান্ত ইয়েমেনে আবারও ত্রাণবাহী বিমান পাঠাচ্ছে বলে ঘোষণা করেছে।

গসৌদি আগ্রাসন ও সর্বাত্মক অবরোধের শিকার ইয়েমেনে ত্রাণবাহী একটি বিমান পাঠিয়েছিল রাশিয়া।

এই দেশটির সঙ্গে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ করছে সৌদি নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দেশের জোট।

রাশিয়ার দুর্যোগ মোকাবেলা বা জরুরি সহায়তা বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশটির বার্তা সংস্থা তাসকে জানিয়েছে, একটি বিশেষ রুশ বিমানে ২৩ টনেরও বেশি মানবীয় ত্রাণ সামগ্রী বোঝাইয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে। তাঁবুসহ নানা ধরনের ত্রাণ-সামগ্রী নিয়ে রুশ বিমানটি গতকালই ইয়েমেনে পৌঁছার কথা। বিমানটি ফেরার পথে ইয়েমেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে স্বদেশে ফিরতে ইচ্ছুক সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হওয়া দেশগুলো তথা সিআইএস-ভুক্ত দেশের আটকা-পড়া নাগরিকদের মস্কোয় নিয়ে আসবে।

গত মঙ্গলবার বিশ টন ত্রাণ সাহায্য নিয়ে রাশিয়ার একটি বিমান সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। ওই বিমান ৬২ জন রুশ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হওয়া দেশগুলো তথা সিআইএস-ভুক্ত দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনে।

ইয়েমেনের জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ আন্দোলনের যোদ্ধারা দেশটির রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা ইয়েমেনে ২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু-হওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি জোটের আগ্রাসন থেকে দেশকে রক্ষার জন্য লড়াই করে আসছে।

গত মঙ্গলবার সৌদি আরব জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থার কর্মী বহনকারী একটি বিমানকে সানায় নামতে দেয়নি। রিয়াদ অজুহাত দেখিয়ে বলেছিল যে ওই বিমানে ব্রিটেনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যম বিবিসি’র তিন সাংবাদিকের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়া সৌদির পক্ষ থেকে সম্ভব নয়।

পরে সৌদি কর্মকর্তারা দাবি করেন যে ইয়েমেনগামী সব বিমানকে অবশ্যই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী এডেনে নামতে হবে। এ অঞ্চল সৌদি সরকারের অনুগত সাবেক ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট মানসুর হাদির কথিত সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য