কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের জন সাধারনের চলাচলের রাস্তা, (সরকারি জমি) ভুমিহীন বন্দোবস্ত নিয়ে আবাদি জমি বানিয়ে দখল করে খাচ্ছে তৈয়ব আলী নামের এক ক্ষমতাধর ব্যক্তি। এতে উক্ত ইউনিয়নের ২ গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ যাতায়াতে কষ্ট করছে দীর্ঘ দিন থেকে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রাম অনুমোদিত ভুমিহীন কেস-১৪৯৬/২০০০ এবং থানা ভুমি অফিস কেস নং -২২০/৯৯ ভুমিহীন বন্দোবস্ত কৃত জমিটি বাতিল করণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে সহকারী কমিশনার (ভুমি)রাজিবপুর,কুড়িগ্রাম বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন।

সরে জমিনে মোহনগঞ্জ ও রাজিবপুর উপজেলা ভুমি অফিস থেকে তথ্য নিয়ে জানা গেছে,উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নয়াচর মৌজার ,জেল নং-৭৫,খতিয়ান নং-১ দাগনং-১৩২৫৪ এর ০.১৬ একর জমি ৫শত ফুট দৈর্ঘ্য যা মোদন পাড়া গ্রামের তৈয়ব আলি ভুমিহীন বন্দোবস্ত নিয়ে ভোগ দখল করে আসছে। যা ইতিপূর্বে এলাকাবাসী যাতায়াতের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করত। সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মোদন পাড়া ব্রীজ থেকে পশ্চিমে কোলপাড়া আমির আলীর বাড়ি পর্যন্ত ৫শত ফুট জমি শুধু আবাদি জমি।

দু’পাশে রাস্তা থাকলেও মাঝে কোন রাস্তার চিহ্ন রাখেনি। মোদন পাড়া গ্রামের মোহাম্ম্দ আলী,নজরুল ইসলাম ও আমির আলি জানান,বাপ-দাদার আমল থেকে দেখে আসছি ওই হানে (স্থানে) রাস্তা ছিল। রাস্তার পাশেই একটি বড় জলাশয় যেখানে ২ গ্রামের মানুষ ও গবাদি পশুদের গোসল করানো হত। রাস্তাটি বন্ধ থাকায় পাশ্ববর্তী গ্রামের সাথে যাতায়াত ও নানাবিদ সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। জনস্বার্থে সরকারি রাস্তাটি ভুমিহীন বাতিল করে জন সাধারণের সুবিধা দানের আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ভ ুমি সহকারি কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন জানান,এটি আগের অফিসার করেছে। আমি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাজিবপুর মহোদয়ের আদেশক্রমে ভুমিহীন বন্দোবস্ত কেস নং ২২০/৯৯এর বিরুদ্ধে নোটিশ করেছি এবং তদন্ত চলছে। সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাজিবপুর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাউজুল কবীর জানান, আমি অভিযোগ পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তাকে দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে বলেছি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য