বেলাল উদ্দিন, দিনাজপুর থেকেঃ দিনাজপুর পৌরসভা উদাসিনতা আর অবহেলার কারনে শহরের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রেল বাজার হাটের করুন অবস্থা বিরাজ করছে। ঘিঞ্জি ও নোংড়া পরিবেশে চলছে হাটের বেচা কেনা। এহাট থেকে পৌরসভা ফি বছর মোটা অংকের রাজস্ব আয় করলেও হাটটির প্রতি সুদৃষ্টি রাখছে না দিনাজপুর পৌরসভাসহ হাট কর্তৃপক্ষ।

হাটের যে স্থানে খাশি জবাই করা হয় সেখানে রয়েছে একটি বন্ধ নর্দমা যেখানে রক্ত মাংস ও উচ্ছিষ্ট অংশ সারাদিন পরে থাকে। দীর্ঘক্ষন পরে থাকার ফলে কুকুর, কাক আর মাছির চলে নর্দমার পচাঁ জলে চলে মাংসের টুকরা নিয়ে টানাটানি। এতে যেমন বিকট দুর্গন্ধ ছড়ায় অন্যদিকে পরিবেশদূশন হয়। নর্দমা নামক গর্তটি রক্তে ভিজে লাল হয়ে থাকে।

আবার মাছ হাটির অবস্থা আরো করুন। পঁচা কাঁদামাটি উপচে পরা নর্দমার পুঁতিময় দুর্গন্ধে ক্রেতাদের মাছের বাজারে প্রবেশ করা দুষকর হয়ে পরে। মাছের বাজারে পাঁ পিছলে দুই মাসে নর্দমায় পরেছে প্রায় ৩৫ জন। তার মধ্যে হাত পাঁ ভেঙ্গেছে অন্ত্যত ৮ জন বয়স্ক মানুষের। মুরগি জবাই করে রক্ত ও ডানা পাখনা পথের ধারেই ফেলা হয়।

কুকুর আর কাক টানাটানি করে ভুটি, রক্ত, ডানা পাখনা ছাড়িয়ে ছিটিয়ে দেয় রাস্তাময়। সে রাস্তা দিয়ে হাটে আসা ক্রেতাদের চলতে হয় নাকে রুমাল দিয়ে। হাটটির পশ্চিম প্রান্তে বটতলায় একটি ডাস্টবিন রয়েছে যা নিয়মিত পরিস্কার করা হয় না। নোংড়া আবর্জনার স্তুপ থেকে বিকট পূতিমায় দুর্গন্ধ ছড়ায়। এই ডাস্টবিনের পাশে থাকা দোকানদার দিলীপ কুন্ডু জানান, এখানে বসে বেচা কেনা করা যায় না আর বিকটগন্ধ আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খরিদ্দের আসতে চায় না।

ডাস্টবিনের নিকট থাকা দোকানদার দেবেন কুমার জানায় গন্ধে মাঝে মাঝে আমি অসুস্থ হয়ে পরি। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এই দিকে বিন্দুমাত্র নজর দেয় না। আর হাট কমিটিরও কোন দায়িত্ব দেখি না। হাটের পরিবেশ রক্ষা করতে হাট কমিটি, স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর এবং পৌর কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসবেন এমন প্রত্যাশা করেন হাটের দোকানদার ও ক্রেতা বিক্রেতাসহ এলাকার মানুষ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য