আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার প্রবেশদ্বার পলাশবাড়ীতে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় চৌমাথা মোড় হতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জিরো পয়েন্ট চৌমাথা থেকে উভয় পাশে বগুড়া-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক এবং গাইবান্ধা-ঘোড়াঘাট সড়ক।

এ ছাড়া সদরের ব্যস্ততম আলীমুদ্দিন সরকার সুপার মার্কেট ও কাজী মার্কেটের মধ্যস্থল (ছলেহা গলি) চিঁড়ে উপজেলার অভ্যন্তরীন অন্যতম প্রধান টেংরা-বাদিয়াখালি সংযোগ সড়ক। যানজটের সৃষ্টি প্রায় এক মাসের অধিক সময় ধরে। দিন-রাতে মাঝে-মধ্যেই যানজটে মূহুর্ত্বেই আটকা পড়ছে বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন যানবাহন। ভূক্তভোগী গাড়ী চালকরা জানায় স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দেশে নানা ধরনের যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ।

সে তুলনায় সড়কের অবস্থা ভালো না হয়ে বরং সৃষ্টি হয়েছে বড়-বড় খানা-খন্দের। সদরের অন্যতম জনসমাগম স্থল ঢাকা কোচ কাউন্টার স্ট্যান্ড জুড়ে মহাসড়কের প্রায় স্থানেই কার্পেটিং একেবারে উঠে গিয়ে যানবাহন চলাচল প্রায় অনুপযোগি।

ফলে; ঘন-ঘন যানজট অব্যাহত হয়ে পড়েছে। এ কারণে স্থানীয়রা ছাড়াও সড়কের উভয় পাশে যাত্রী সাধারণ ও পথচারীদের দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে সিমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

অথচ খোদ উপজেলা সদরেই অবস্থিত সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়। দায়ীত্বশীল প্রকৌশলীদের সঠিক তদারকিতে উদাসিনতাসহ সুষ্ঠু নজরদারি ও রক্ষনা-বেক্ষনের অভাবে মহাসড়কের সদর অংশ মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। জনস্বার্থে অধিক প্রয়োজন থাকলেও নির্দিষ্ট মোড়ে নির্মিত হয়নি এলাকাবাসির প্রাণের দাবি একটি ওভার ব্রিজ।

এ আসনের অভিভাবক জনপ্রতিনিধিরা বিগত ৩৫ বছর ধরে শুধু মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়েই আসছেন।

তবুও জনদাবিটি পূরণ না হওয়ায় ভূক্তভোগীদের মনে বিষয়টি চরম অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। তীব্র যানজট নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশ সার্বক্ষনিক নিরলস নিয়োজিত থাকলেও যানজট যেন পিছু ছাড়ছে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য