দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরে জঙ্গীদের অর্থ সংগ্রহের জন্য ফিলিং ষ্টেশনে ডাকাতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারকারীসহ ৫ সাক্ষীকে আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে।

দিনাজপুরে জঙ্গীদের অর্থ সংগ্রহের জন্য সদর উপজেলার নতুন ভুষিরবন্দর তৃপ্তি ফিলিং ষ্টেশনে ২০১৫ সালে ১০ ডিসেম্বর রাতে জঙ্গীদের ডাকাতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল।

ওই মামলায় কারাগারে আটক নব্য জেএমবির সদস্য ওসমান গনি (২৮), জোবায়ের হোসেন @ শাহিন @ হাওলাদার (২৫), সাদ্দাম হোসেন (২৫), আহসান হাবিব (৩২), রমজান আলী @ সৈকত (২৪) ও আব্দুল খালেক @ উমায়ের @ মামা (২৬)কে কড়া পুলিশ প্রহরায় আজ সোমবার দুপুরে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার সাক্ষীদের প্রতি গত ধার্য তারিখে আদালত থেকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারী করা হলেও সাক্ষীরা আদালতে হাজির হননি।

সরকার পক্ষে নিয়োজিত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কাজেমউদ্দীন আহমেদের আবেদনে এই মামলার এজাহারকারী তৃপ্তি ফিলিং ষ্টেশনের ম্যানেজার অমল কুমার রায়, ফিলিং ষ্টেশনের মালিক ভবানী শংকর আগরওয়ালা, প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল মতিন, যুগল রায় ও রহমত আলীকে ৯ আগষ্ট আদালতে হাজির করতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশ প্রদান করেন।

সোমবার বিকেলে আটক ৬ জঙ্গীকে আদালত থেকে পুনরায় কড়া পুলিশ প্রহরায় জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর রাতে জঙ্গী কর্মকান্ডে অর্থ সংগ্রহের জন্য ৩টি মোটরসাইকেলে ৯ জন নব্য জেএমবির সদস্য সশস্ত্র অবস্থায় সদর উপজেলার নতুন ভুষিরবন্দর তৃপ্তি ফিলিং ষ্টেশনে ডাকাতি করে ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ২৮১ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

যাওয়ার পথে জনতার ধাওয়ায় জঙ্গী সদস্যদের আটক করে। জনতার গণপিটুনিতে সাব্বির হোসেন (৩০) নামের এক জঙ্গী মারা যায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য