ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ছোট যমুনা নদীর ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে, উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের, খয়েরবাড়ী আদর্শ্য গ্রাম। ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন খয়েরবাড়ী আদর্শ্য গ্রামের ৮০টি পরিবার। বন্যা আসলেই নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে তাদের মাথাঁ গোছার শেষ আশ্রায়স্থল ঘর-বাড়ী।

সোমবার খয়েরবাড়ী আদর্শ্য গ্রামে গিয়ে দেখাযায়, ছোট যমুনা নদীর তীরে এই গ্রামটিতে বাসবাস করে ৮০টি পরিবার, আদর্শ্য গ্রামটি গত পাঁচ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠা হলেও এর পর থেকে নদি সাশনের কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি, ফলে নদীর ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে এখন গ্রামের মধ্যে এসেছে, এইবার বন্যা হলেই আদর্শ্য গ্রামের ঘরবাড়ী নদীতে ভেঙ্গে পড়বে। এখনেই যদি গ্রামের ধারে বাধ না দেয়া হয়, তাহলে ওই ৮০টি পরিবার হারাবে তাদের শেষ আশ্রায়স্থল। এছাড়া গ্রামে প্রবেশ পথেও দির্ঘ দিন মাটি ভরাট না হওয়ায় এখন খানা কন্দে ভরে আছে।

আদশ্য গ্রামের বাসীন্দা, ষাটউর্দ্ধ বয়সী খোকা বর্ম্মন বলেন, ঘরবাড়ী ছিল না, তাই আদশ্য গ্রামে আসচ্ছি, এখন এই বাড়ীও যদি নদিতে ভেঙ্গে যায় তাহলে আমরা যাব কোথায়, একই কথা বলেন আদর্শ্য গ্রামের বসবাসকারী গ্রহবধু শিখা রানী, সালেহা বেগম, গৌর চন্দ্র, গনেন্দ্র নাথ। তারা বলেন প্রতি বছরে বর্ষা মৌসুমে নদি ভাঙ্গে, এখন নদি এসে তাদের ঘরের দেয়ালে ঠেকেছে, বাকি আছে তাদের সোয়ার ঘরটুকু।

খয়েরবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এনামুল হক বলেন, আদর্শ্য গ্রামের পাশে নদীতে বাধ দেয়া একান্ত প্রয়োজন হয়ে দাড়ীয়েছে, এই বিষয়টি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে। খয়েরবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন, আদর্শ্য গ্রামের পার্মে বাঁধ দেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যেমে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে, বরাদ্দ আসলেই বাঁধ নির্ম্মান করা হবে।

এদিকে গ্রামবাসীরা বলছেন কবে বরাদ্দ আসবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই, কিন্তু বন্যা আসলেই তারা আর বসবাস করতে পারেবে না। এই জন্য তারা তাদের বসবাসের স্থানটি রক্ষা করতে জরুরী পদক্ষেপ নেযার জনুরোধ জানিয়ে ছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য