শিশু শান্তা এখন ঘুরে পিরেই মা-বাবাকে খুঁজচে। মা-মা বাবা-বাবা বলে কাঁদছে। কখন ও খেলছে কখন ্ও এর ওর কোলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু যখন কান্না থামাতে পাচ্ছে না তখন বিষিয়ে উঠছে নানা নানীর জীবন। শিশু শান্তা আক্তার শান্তা এখন বড়ই একা হয়েগেছে। ঈদের একদিন আগে রংপুরের পীরগঞ্জে সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকে করে শান্তার মা কাউনিয়ায় বাবা নুর ইসলামের বাড়িতে ঈদ করতে স্বামী সহ আসার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় ঘটনা স্থলেই দু জনেই মারা যায়।

ঐসড়ক দূর্ঘটনায় ১৭জন নিহতের মধ্যে শিশু শান্তার পিতা আনিসুর রহমান ও মাতা সামছুন নাহারও ছিল। বাবা মায়ের মৃত্যুর পর শান্তা কার কাছে থাকবে তাই নিয়ে চলে নানা জলপনা কল্পনা। শেষ পর্যন্ত নানা বাড়িতেই ঠাঁই হয় তার। শান্তার বয়স এখন মাত্র দেড় বছর। দূর্ঘটনার মাস ২ আগে শান্তাকে বাবার বাড়িতে রেখে স্বামী স্ত্রী ঢাকায় কর্মস্থলে যায়। বাবা মায়ের সাথে শান্তাও থাকলে শান্তার কপালে কি ঘটত তা মহান সৃষ্টিকর্তাই জানেন।

নানী আয়শা বেগম জানান, শাস্তা সব সময় কাঁদে। তিনি বলেন, সর্বশেষ তার মেয়ে সিরাজগঞ্জে ট্রাকে থাকা অবস্থায় কথা বলেন। তার পর আর কথা হয়নি। ঢাকায় চাকরীর সুবাদে জিনাইদহ জেলার শৈলাকুপা উপজেলার আদাইপুর ইইনয়নের মীন গ্রামের লিয়াকত শেখের পুত্র আনিছুর রহমানের সাথে প্রেম করে ২বছর আগে বিয়ে হয় কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের গংগা নারায়ন গ্রামের নুর ইসলামের কন্যা সামছুন নাহারের।

এরই মধ্যে তাদের কোল জুরে আসে শান্তা আক্তার। মা-ববার আদর ¯েœহ বুঝে উঠার আগেই শান্তাকে রেখে পরপারে চলে যান শান্তার বাবা-মা। ঈদের আগের দিন বাবার বাড়িতে প্রথম জানাযা শেষে স্বামী স্ত্রীর লাশ ঝিনাইদহ জেলার শৈলাকুপা উপজেলার নিম গ্রামে তাদের দাফন করা হয়। অনিশ্চিত জিবন নিয়ে শান্তার এখন বড় হয়ে উঠার পালা। বড় হয়ে কোথায় ঠাই হবে নানা নাকি দাদার বাড়িতে ? কে নিবে তার লেখা পাড়া ভরন পোষন ও বিয়ের দায়ভার। সেটাই এখন দেখার অপেক্ষার পালা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য