আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট থেকে: লালমনিরহাটে সদর উপজেলার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কমিটির বাতিল ও যাচাই-বাচাই কার্যক্রম স্থগিতের দাবীতে লালমনিরহাট মুক্তিযোদ্ধা স্বার্থসংরক্ষন কমিটি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

শনিবার দুপুর ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ঘন্টা ব্যাপী জেলার প্রানকেন্দ্র মিশনমোড় চত্তরে শতাধিক বঞ্চিত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সদর উপজেলার সাবেক কমান্ডার নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে অবসর প্রাপ্ত যুগ্ন সচিব কৃষ্ণ গোপালের সভাপতিত্বে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু তালেব, ফয়েজ উদ্দিন ও মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিনের পুত্র ফারুক আহম্মেদসহ সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলা কমান্ডার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সকল সদস্যের যোগসাজশে জামুকা ও মন্ত্রনালয়ের নীতিমালা অনুসরন না করে ইচ্ছামত ব্যক্তি আক্রোশে অভিযোগ উথ্থাপন করে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। যাহার কোন ভিত্তি নাই। অথচ জেলা কমান্ডদ্ধা মেজবাহ উদ্দিন নিজেই একজন বাতিল (গ) তালিকার মুক্তিযোদ্ধা। তিনিই নাকি আবার যাচাই-বাচাই তালিকার প্রধান।

বক্তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সনদপ্রাপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের সনদপ্রাপ্ত, ও গেজেট ধারী ভাতাপ্রাপ্ত প্রকৃত ২০৪ জন মুক্তিযোদ্ধাগণকে অবমুল্যায়ন করে বাতিল তালিকায় (গ) অন্তর্ভুক্ত করে জামুকায় প্রেরন করা হয়েছে। অথচ অনলাইনে জামায়াত-শিবিরের যারা আবেদন করেছে তাদের ২১৮ জনকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা (ক) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বক্তারা বঞ্চিত প্রকুত মুক্তিযোদ্ধাদের বাতিলের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী কর্নেল ফারুক গং এর সহযোগী ও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কমিটির প্রধান জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড মেজবাহ উদ্দিনের গ্রেফতারের দাবী জানান।সেই সাথে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কমিটির বাতিল ও যাচাই-বাচাই কার্যক্রম স্থগিতাদেশেরও দাবী জানান।

উল্লেখ্য গত ৬ জুলাই মেজবাহ উদ্দিনের অবৈধ কার্যক্রমের প্রতিবাদে সাধারণ জনগনের মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা মানববন্ধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্বারক লিপি প্রদান করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য