সংবাদ সম্মেলনঃ দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলমকে অপসারনের দাবী জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সম্মিলিত জোট। আন্দোলনকারী নেতারা বলছেন জেলা প্রশাসক যৌন নিপিড়নের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই নতুন কৌশল হিসেবে মামলা দায়ের পথ বেছে নিয়েছে। দাবী আদায় না হওয়া পর্যর্ন্ত কেউই আন্দোলন থেকে পিছু হোটবেনা।

প্রমীলা ক্রিকেটারকে যৌন নিপীড়নকারী ক্রিকেট কোচ আবু সামাদ মিঠুর শাস্তির দাবীর আন্দোলনের সাথে এবার দিনাজপুর জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহারের দাবী তুলেছে “দিনাজপুর নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সম্মিলিত জোট” নেতৃবৃন্দ।

শনিবার দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে “দিনাজপুর নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সম্মিলিত জোট” আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এই দাবী করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ এই দাবী তুলে বলেন, যৌন নিপীড়নকারী ক্রিকেট কোচ মিঠুর বিচার চাইতে যাওয়ায় জেলা প্রশাসক মিথ্যা অভিযোগ তুলে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করে আমাদেরকেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মিথ্যাচার করেছেন উল্লেখ করে আবুল কালাম আজাদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার কক্ষের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ জেলা প্রশাসকের মিথ্যাচারের প্রমান দিবে।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের জেলা প্রশাসক থাকলে অন্যায়কারীরা আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে প্রতিনিয়ত নতুন ঘটনার জন্ম দেবে, তাই আমরা সরকারের নিকট দাবী করছি তাকে দ্রুততার সাথে অপসারন কওে দিনাজপুরের জনমতকে মুল্যায়ন করা হউক। অন্যথায় দাবী আদায়ের জন্যে আন্দোলনের মাত্রা আরো বেগমান হতেই থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা পরিষদের সভাপতি কানিজ রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারন সম্পাদক সুলতান কামাল উদ্দিন বাচ্চু, সিপিবি’র জেলা সভাপতি আলতাফ হোসাইন, উদীচীর জেলা সভাপতি রেজাউর রহমান রেজু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বজলুল হক ও মোঃ আলাউদ্দিন, জাসদের সাধারন সম্পাদক সহিদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসককে হুমকি দেয়ার অভিযোগে জেলা প্রশাসকের পক্ষে আবুল কালাম আজাদসহ ৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং অজ্ঞাত আরো ২৫-৩০ জনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার কোতয়ালী থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলার প্রেক্ষিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য