আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের পাটগ্রামে চোরাকারবারি ধাওয়ার সময় তিস্তায় পড়ে গিয়ে নিহত হন বিজিবির ল্যান্সনায়েক সুমন মিয়া। এরপর এক সপ্তাহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে ওই দিনের অভিযানে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ডাকে সাড়া দেয়া দহগ্রাম ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ তৌহিজুল ইসলামসহ (৬৫) দু’জনকে আটকের ৭ দিন পর সোমবার ঘটনাস্থলে নিয়ে আসে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির ভয়ে তিস্তা নদীতে লাফ দিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন গ্রামপুলিশ তৌহিজুল। পরে তার ছেলে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম হাসানুল ইসলামকে আটক করে বিজিবি। পাটগ্রাম থানা পুলিশ নিখোঁজের ব্যাপারে বিজিবির সাধারণ ডায়োরর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।উল্লেখ্য, ঈদের দিন রাত ২টার দিকে তিস্তা নদী সংলগ্ন সীমান্ত এলাকার আবুলের চরে ভারতীয় গরু চোরকারবারিদের ধরতে যান দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের ল্যান্সনায়েক সুমন মিয়া।

এ সময় তার সঙ্গে আরও তিন বিজিবি সদস্যসহ স্থানীয় গ্রামপুলিশ তৌহিজুল ইসলাম ও তোহিজুল ওরফে নুরু নামে এক ভ্যানচালক ছিল। সেখানে অভিযানের সময় সুমন মিয়া তিস্তা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। প্রায় ৩২ ঘণ্টা পর ভাটিতে তিস্তা নদীর ভারতীয় অংশে সুমন মিয়ার লাশ পাওয়া যায়।জানা যায়, বিজিবি সদস্য নিখোঁজ হওয়ার পরপরই দহগ্রাম ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় তৌহিজুল ইসলাম ও একই এলাকার ভ্যানচালক তোহিজুল ওরফে নুরুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে বিজিবি। এরপর তাদেরকে বিজিবির রংপুর সেক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সোমবার তাদের নিয়ে আসা হয় পাটগ্রামে দহগ্রাম এলাকার ঘটনাস্থলে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য