আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে চলতি রবি মৌসুমে রোপিত পুরিকচু বাম্পার ফলনের সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকরা বেজায় খুশি। অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ দেখা না দিলে নিশ্চিত লাভজনক হবে বলে আশা করা যায়। উপজেলার ৯ ইউনিয়নে মোট ৩’শ ৮০ হেক্টর জমিতে বৈ-কচু (পুরিকচু’র) চাষ হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিসার আজিজুল ইসলাম জানান।

লাল-সবুজের দেশ আমাদের মাতৃভূমি সোনার বাংলাদেশ। যেদিকে যতদূর চোঁখ যায় শুধুই সবুজের সমারোহ। সবুজ বেষ্টিত অপার সম্ভাবনাময়ী-অগাধ সম্পদশালী আমাদের দেশ আজ বিশ্বের যে কোন উন্নত দেশের নিকট অনূকরণীয় হয়ে উঠেছে।

সম উন্নয়নের নিজস্ব গতির ধারাবাহিকতায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তর-তর করে। এভাবেই এগিয়ে যাবে কাঙ্খিত লক্ষ্য-উদ্দ্যেশের দিকে। পূরণ হবে লালিত স্বপ্ন। এসময় ফসলের মাঠে দিগন্ত জুড়ে নানা রবি শস্যের ঝিলিক। নানা ফসলের ভিঁড়ে বৈ-কচু (পুরিকচু) পরিচিত একটি নাম। আমাদদের প্রতিদিনের আহারের সাথে প্রয়োজনীয় তরি-তরকারির (সব্জি) মধ্যে কচু একটি অপরিহার্য শস্য।

তিন মাসের ফসল কচু এখন প্রায় উঠতির দিকে। সম্ভাব্য আর মাস খানেকের মধ্যেই ঘরে উঠবে কচু। প্রকৃতির বিচিত্র বৈরিতায় বিরাজমান বিরূপ বৈরী আবহাওয়ার নানা দোদুল্যপনার দোলাচলে কৃষক-কৃষানিরা পুঞ্জিভূত শ্রমের বিপরিতে রোপিত উঠতি ফসলের ভবিষ্যৎ সফলতার উজ্জল সোনালী স্বপ্নে কৃষকরা মুগ্ধ।

সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ফলিয়া, হোসেনপুরের রামকৃষ্ণপুর, পলাশবাড়ীর বাঁশকাটা, বরিশালের সাবদিন ও মহদীপুর ইউনিয়নের পূর্ব গোপালপুর, বিষ্ণুপুর, জালাগাড়ী-দূর্গাপুর গ্রাম ছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়ন গুলিতে কম-বেশি বৈ-কচু (পুরিকচু) চাষ রয়েছে। বাম্পার উৎপাদন ঘরে তোলার আশায় কৃষক-কৃষানিরা একবুক আশা নিয়ে এখন শুধু শেষ দিনের অপেক্ষায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য