দিনাজপুরের কাহারোলে অবৈধভাবে চলছে ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা ব্যবসা। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা নেই। রোগীরা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে রিপোর্ট নিয়ে অনেক সময় পড়েন বিভ্রান্তিতে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাহারোল উপজেলা সদর ও দশমাইল মোড় মোট ৬টি ডায়াগনষ্টিক ও ক্লিনিকের মালিকেরা সরকারী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বছরের পর বছর অবৈধভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা।

সংবাদ সংস্থা এফবেনএস জানায়, ২/৩ টি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ছাড়া বাকিগুলোর কোন সরকারী অনুমোদন নেই। তারপরেও তারা প্রভাব দেখিয়ে বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্সণ প্রাপ্ত কোন টেকনোলজিষ্ট না থাকায় অনেক সময় রোগীদের হয়রানির স্বীকার হতে হয়। ভুল রিপোর্টের কারণে, ভুল চিকিৎসায় পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। এলাকার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রিপোর্টের সঙ্গে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দিনাজপুর জেলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রিপোর্টের মিল থাকে না। এতে রোগীরা বিভ্রান্তিতে পড়েন।

হাসপাতালের ডাক্তারা বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার জন্য তাদের নিজস্ব ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে পাঠান। এসব পরীক্ষা থেকে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিশন পেয়ে থাকেন। উপজেলা সদরে যে সব ডাক্তার চেম্বারে বসেন তারাও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার গুলোর পরীক্ষার জন্য তাদের রোগীকে পাঠান। চেম্বার শেষে ঐসব ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে তাদের কমিশন নিয়ে যান। অবৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার জেনেও ডাক্তারা ঐসব সেন্টার পরীক্ষার জন্য রোগীকে পাঠান।

এসব ডায়াগনষ্টিক ও ক্লিনিক দিনাজপুর জেলা সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতি বছর পরিদর্শনের নিয়ম থাকলেও তারা অজ্ঞাত কারণে ২/৩ বছর পর পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আরোজ উল্লাহ বলেন, কয়েকটি সরকারী অনুমোদন রয়েছে বাকি গুলোর অনুমোদন নেই। আমরা শীঘ্রই অনুমোদন বিহীন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য