মোঃ রজব আলী ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনান্দ। আর ঈদের খুশিকে এগিয়ে নেয় ঈদের নতুন পোষাকে। তাই ঈদ আসলে ধুম পড়ে যায় নতুন পোষাক কেনার। ঈদে ধনী গরিবের ভেদাভেট যতই ভুলার কথা বলাহোক না কেন? ঈদের নতুন পোষাক কিনতে গেলেই ধনী গরিবের পার্থক্য সৃষ্টি হয়ে যায়।

ঈদ আসলে ধনীদের গায়ে শোভা পায় বাহারী পাঞ্জাবী, যার বাজার মূল্য একটি গরিব পরিবারের সারা মাসের সংসার বহনের যোগাড়। একই ভাবে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শেষ মুর্হুতে এসে শুরু হয়েছে সাধ ও সাধ্যের ঈদ মার্কেট। শহরের অভিযাত বিপনী গুলো ব্যবসায়ী ও চাকুরী জিবীদের ভিড় থাকলেও মধ্য ও নি¤œ আয়ের লোকেরা ছুটছেন ফুটপাথের দোকানে।

গত কয়েক দিন ফুলবাড়ী পৌর বাজারের বিপনী গুলো ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে গভির রাত পর্যন্ত চলছে বেচা-কেনা। শহরের দুর দুরান্ত থেকে ফুলবাড়ী বাজারে এসেছে ঈদের খরছ করার জন্য। তবে গত বছরের তুলুনায় এই বছর পোষাকে মুল্য দ্বিগুন হওয়ায় আশানুরোপ বেচা কেনা হচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদ মার্কেট করতে আসা এক চাকুরী জিবী বলছেন, বেতন বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দ্রব্য মুল্য, একই হারে বাড়ছে পোষাকের মুল্যও তাই ইচ্ছা থাকলেও সাধ অনুযায়ী কেনা-কাটা করতে পারছেনা।

রাজারামপুর গ্রামের কৃষক রহিম উদ্দিন মিয়া বলছেন ধানের দাম যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তার দ্বিগুন হারে বৃদ্ধি পেয়েছে অনান্য দ্রব্য মুল্য ও পোষাকের দাম, পরিবারের চাহিদা মিঠাতে অধিকাংশ পোষাক ফুট পথ থেকে কিনতে হচ্ছে।

একই কথা বলেন ঈদ মার্কেট করতে আসা কৃষক জয়নাল আবেদিন, মনোয়ার হোসেন। কাপড় ব্যবসায়ীরা বলছেন ঈদের শেষ মুর্হুতে এসে বেচা-কেনা শুরু হয়েছে, অনান্য দ্রব্য মূল্যর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারী বাজারে পোষাকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, একারনে তাদেরকেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, আর দাম বেশি হওয়ায় বেচা কেনাও কমে গেছে যারফলে আশানুরুপ বেচা-কেনা হচ্ছেনা।

এদিকে পোষাকের দামের সাথে সাথে, বৃদ্ধি পেয়েছে অনান্য ঈদ সামুগ্রীর দামও, তাই ইচ্ছা থাকলেও সাধ অনুযায়ী ঈদ মার্কেট করতে পারছেনা অধিকাংশ মানুষ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য