লন্ডনের ক্যামডেনে অগ্নি নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে থাকা সাতশোরও বেশি ফ্ল্যাট ফাঁকা করা হয়েছে। ক্যামডেন কাউন্সিল জানিয়েছে, চালকটস এস্টেটের চারটি টাওয়ারের লোকজনকে ‘জরুরি অগ্নি নিরাপত্তা’র কথা বিবেচনা করে গত শুক্রবার সরিয়ে নেওয়া হয়।

তাদেরকে অস্থায়ীভাবে বিভিন্ন হোটেলে রাখা হচ্ছে, তবে প্রায় ১০০ জন বাসিন্দা একটি বিশ্রাম কেন্দ্রের এয়ার বেডে রাত কাটিয়েছেন। চালকটস এস্টেটের পাঁচটি টাওয়ার রয়েছে। সবগুলো টাওয়ার থেকেই লোক সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল।

তবে গতকাল শনিবার সকালে হঠাৎ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয়, একটি টাওয়ার ফাঁকা করার দরকার নেই। সেখানকার বাসিন্দারা ফেরত যেতে পারেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুন ছড়ানোর জন্য যে ক্ল্যাডিংকে দায়ী করা হচ্ছে সেই বিতর্কিত প্রলেপ ওই টাওয়ারগুলোতেও ব্যবহার করা হয়েছে। গ্রেনফেল টাওয়ারে ২০১৫-২০২৬ সালে যে ফার্মটি সংস্কার কাজ চালিয়েছিল সে একই রাইডন ফার্মই ২০০৬ ও ২০০৯ সালে চালকটস এর সংস্কার করেছিল।

ক্যামডেন কাউন্সিল জানায়, তারা চালকটস এস্টেটের পাঁচটি টাওয়ারের দেয়ালে ব্যবহৃত থার্মাল ক্ল্যাডিং মুছে ফেলবে। কাউন্সিলের নেতা জর্জিয়া গোল্ড জানান, স্থানীয় সময় গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভবন ফাঁকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আমাদের বলা হলো যে তারা আমাদের বাসিন্দাদেরকে ওই ব্লকগুলো নিয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না।’

বিবিসি জানায়, এ পর্যন্ত ২৭০টি হোটেল রুমে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করেছে কাউন্সিল। সুইস কটেজ বিশ্রাম কেন্দ্র এবং ক্যামডেন সেন্টারে জরুরি আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাউন্সিল বলছে, তারা প্রথমে বাসিন্দাদেরকে তাদের বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। যদি কারও পক্ষে তা সম্ভব না হয় তবে তার জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য