কাতারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং সহায়তার হাত বাড়িয়ে সৌদি জোটের নতুন টার্গেটে পরিণত হয়েছে তুরস্ক। একজন মিসরীয় কূটনীতিককে উদ্ধৃত করে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, আঙ্কারার বিরুদ্ধে এবার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা। কাতার সংকটে দেশটির পাশে দাঁড়ানোর কারণে তুরস্কের প্রতি সৌদি জোট কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সবাই।

কাতারের বিরুদ্ধে নেওয়া সৌদি জোটের অবরোধের সিদ্ধান্তের বিরোধিতাকারী দেশ তুরস্ক। অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রতি দোহাকে খাদ্য ও সামরিক সহায়তা দেওয়া শুরু করে তুরস্ক। মিসরের এক কূটনৈতিক নাম প্রকাশ না করা সূত্রে জানান, ‘শিগগিরই দেখতে পাব যে, তুরস্কের প্রতি কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো’।

বিশেষ করে সৌদি আরব এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি। ওই কূটনীতিককে উদ্ধৃত করে আরব নিজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি কর্তৃপক্ষ কাতার সংকটে আঙ্কারার ভূমিকাকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মানতে রাজি ছিল। তবে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এ বিষয়ে খানিকটা দ্বিমত পোষণ করে কট্টর নীতি গ্রহণ করতে চান। সাম্প্রতিক কায়রো সফরে তুরস্কের এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতি জোর দিয়েছেন তিনি।

অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান কাতারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। যার ফলে দোহাতে সামরিক ও খাদ্য সহায়তা পাঠায় দেশটি। ইতোমধ্যে দুই ডজন তুর্কি সৈন্য দল কাতারে পৌঁছেছে। খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা বোঝায় ১০০টি বিমান পাঠিয়েছে তুরস্ক। এই বৃহস্পতিবারেই বিভিন্ন সহায়তা নিয়ে একটি জাহাজ ভিড়েছে দোহার বন্দরে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য