সুবল রায়, বিরল থেকেঃ দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারানোর আতংক নিয়ে জীবন যাপন করছেন। বর্ষার দিন এলেই এলাকার মানুষকে তাড়া করে এক ভয়ংকর দুঃশ্চিন্তা। চোখে মুখে আতংকের ছাপ আর পারিবারিক সম্বল জমি-জমা, ঘরবাড়ি সবকিছু নদীতে বিলীন হওয়ার ভয়ে রাতের পর রাত জেগে থাকতে হয় এই নদী পাড়ের মানুষকে।

১নং আজিমপুর ইউনিয়ন, ২নং ফারাক্কাবাদ ও ৩নং ধামইড় ইউনিয়নের প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বাস। এই ৩ ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পূর্ণভবা নদীতে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বন্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাঁধের উপরে যে কয়েকটি স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়েছে তা সাধারণ মানুষের কোন উপকারে আসে না।

অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এই স্লুইস গেট গুলো এখন বাঁধের আপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে সুদৃঢ়ভাবে বাঁধ নির্মাণ করলে অন্ততপক্ষে নদী ভাঙ্গনের ভয় থেকে স্বস্তি পাবে এলাকার মানুষ।

স্বাধীনতার পর থেকে বহুবার বাঁধ নির্মাণের মাপজোঁক হয়েছে। দফায় দফায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের পরিদর্শনও হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই জীবনে নদী শাসনের কোন কার্যক্রম দেখতে পাবেন কি? এ্মন প্রশ্ন অনেকের মতোই এক বৃদ্ধার।

অনতিবিলম্বে বাঁধটি নির্মাণ করা হলে নদী ভাঙ্গনের ঝূঁকি থেকে বাঁচবে নদীর দুই পাড়ের ২৫ হাজার মানুষ। তাই সরকার জনস্বার্থে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমন প্রত্যাশা ভূক্তভোগী মানুষের।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য