গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ডিমের দরপতন হওয়ায় ডিম নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারীরা। জানা গেছে, এ উপজেলায় বেকার যুবক ও স্বল্প আয়ের মানুষেরা বেকারত্ব ঘুচানোসহ নিজের পায়ে দাড়িয়ে আয় রোজগারের ব্যবস্থা করতে ও প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন এনজিও এবং ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে নিজস্ব বসতবাড়ির আশেপাশে খামার নির্মাণ করে লেয়ার মুরগীর ডিম বিক্রি করে লাভবান হত।

এছাড়া স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতেন। হঠাৎ করে ডিমের দরপতন হওয়ায় খামারীদের লাভের মুখ না দেখে প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। রামভদ্র কদমতলা গ্রামের খামারী সাইফুল ইসলাম, শাহজাহান মিয়া, ফিরোজ মিয়া, কবির মিয়া, জামাল হোসেনসহ অনেকে জানান, প্রতিদিন খামারে মুরগীর যে পরিমান পরিচর্যা ও খাবার দিতে হয় তাতে প্রতিটি ডিমের মুল্য পড়ছে ৫ থেকে ৬ টাকা। বর্তমান বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ টাকা দরে। এতে করে প্রতিদিন তাদের হাজার হাজার টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে।

এভাবে চলতে থাকলে উপজেলায় প্রায় সহস্রাধিক খামারী তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পথে বসতে বাধ্য হবে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ভেটেরেনারী সার্জন ডাক্তার রেবা বেগম জানান, এ উপজেলায় সহস্রাধিক খামার রয়েছে। ডিমের দরপতন হওয়ায় অনেক খামারী খামার বন্ধ করে দিয়েছে।

ডিমের দরপতন অব্যাহত থাকলে এ উপজেলায় ডিম উৎপাদনের খামার গুলো সব বদ্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য