তাইওয়ানের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে পানামা।

পানামা সরকার জানিয়েছে, এখন থেকে তারা ‘এক চীন’ নীতিকে স্বীকৃতি দিয়ে তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করবে।

এর প্রতিক্রিয়ায় ‘ক্ষোভ ও হতাশা’ প্রকাশ করে ‘চাপে নতি স্বীকার করার’ জন্য পানামাকে অভিযুক্ত করেছে তাইওয়ান, জানিয়েছে বিবিসি।

তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে চীন। হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র দেশ বেইজিংয়ের বদলে তাইপের সঙ্গে মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আছে। এবার সেই দেশগুলোর তালিকা থেকে পানামা বের হয়ে গেল।

গত বছরের ডিসেম্বরে আফ্রিকার দ্বীপদেশ সাও টোমি ও প্রিন্সিপিও তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

বর্তমানে মাত্র ২০টি দেশের সঙ্গে তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় আছে।

সম্প্রতি মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় প্রচুর বিনিয়োগ করেছে চীন। এই দেশটির পানামা খাল বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত বছরের জুনে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন তার প্রথম বিদেশ সফরে পানামা গিয়েছিলেন। তাই এক বছরের মধ্যে পানামার এই নতুন সিদ্ধান্তে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘ক্ষোভ ও হতাশা’ প্রকাশ করেছে।

পানামার এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ’ কূটনৈতিক পদক্ষেপ অভিহিত করে এক বিবৃতিতে সমালোচনা করেছে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পানামা ‘বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক স্বার্থের কাছে আত্মসমর্পণ’ করেছে বলে অভিযোগ করেছে।

অপরদিকে পানামার এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “চীন সরকার ও চীনের জনগণ পানামার এই সিদ্ধান্তের উচ্চ প্রশংসা করে একে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়।”

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য