মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাও থেকেঃ ঠাকুরগাঁওয়ের এক শিক্ষার্থীকে পরিক্ষা দিতে দেননি একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ। আর পরিক্ষায় অংশ নিতে না পেরে ওই শিক্ষার্থীর একবছর লোকসান গুনতে হবে বলে কাগজ হাতে নিয়ে ঘুরে ফিরছেন।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত লেখা সাইন বোর্ড এই বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ঠাকুরগাঁও শহরের সরকারপাড়ায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠান কৃর্তপক্ষের তথ্য অনুযায়ী কোর্স সম্পুর্ন হিসেবে শিক্ষার্থীদের চুক্তি ভিক্তিকভাবে ভর্তি করা হয়। এসএসসি পাশের পর যে সকল শিক্ষার্থী ওই প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতে ইচ্ছুক তাদের প্রত্যেকের কাছে কোর্স সম্পুর্ন করতে বাৎসরিক চুক্তি অনুযায়ী টাকা নেয়া হয় ৬-৭ হাজার পর্যন্ত।

অভিযোগ উঠেছে, এসএসসি পাশের পর কামাল হোসেন নামে এক শিক্ষার্থী চার বছর মেয়াদী কোর্সে কর্তৃপক্ষের কাছে চুক্তিবদ্ধ হয়। চার বছরের জন্য মেয়াদী কোর্সে বছর প্রতি তাকে দিতে হবে ১৪৬০০ টাকা। এরই মধ্যে ওই শিক্ষার্থী ১ম সেমিষ্টারে সব বিষয়ে পাশ করে। দ্বিতীয় সেমিষ্টারের জন্য গত ১৯ এপ্রিল ১৪৮০টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ করে অন্যান্য শিক্ষার্থীর মত ৭জুন ইংরেজি পরিক্ষায় অংশ নিতে গেলে বেতন বকেয়া থাকার কারনে তাকে পরিক্ষা দিতে দেননি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ।

এ কারনে ওই শিক্ষার্থীকে এক বছর পর আবার নতুন করে পরিক্ষা দিতে হবে। শিক্ষার্থী কামাল জানান, আমরা গরিব তাই সময়মত চুক্তি অনুযায়ী কিছু টাকা পরিশোধ করতে পারিনি। আমি দুর থেকে এসে, অন্যের দোকানে কর্মচারি থেকে পড়ালেখা করছি। তবুও ফরম ফিলাপ করেছিলাম পরিক্ষাটা দিব, কিন্তু হয়নি এটা আমার দূর্ভাগ্য। এ বিষয়ে সেই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জানান, চুক্তি অনুযায়ী টাকা দিতে পারেনি বলেই তাকে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে দেয়া হয়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য